আমাদের ভারত, ২৮ ডিসেম্বর: করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমলেও আতঙ্ক তৈরি করেছে নয়া ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশের ১৮ টি রাজ্যে ওমিক্রন হানা দিয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বিচারে রাজধানী দিল্লি উদ্বিগ্ন। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিল্লিতে জারি হয়েছে হলুদ সর্তকতা।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সাক্ষী থেকেছে দিল্লি। মৃত্যু মিছিল দেখেছে রাজধানী। সোমবার দিল্লিতে করোনা নতুন করে ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। ৩৩১জন নতুন আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে যা গত ছয়মাসে সর্বোচ্চ। এরপরই কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছে দিল্লি সরকার। সিনেমা হল, জিম, শিক্ষায়তন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শপিংমল ও দোকান খুলবে জোড় বিজোড় সংখ্যা অনুযায়ী। জারি থাকবেন নাইট কারফিউ।
দিল্লিতে জারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে দোকান, শপিংমল খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৮টা পর্যন্ত। বেসরকারি সংস্থায় কর্মীদের অর্ধেক অফিসে আসবেন। বিবাহ ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে সর্বাধিক ২০ জন অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবেন। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে। রেস্তোরাঁ পানশালায় আসন সংখ্যার অর্ধেক প্রবেশ করতে পারবে। মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক সংখ্যক যাত্রী উঠতে পারবে দিল্লি মেট্রোয়। অনলাইন ডেলিভারি চালু থাকবে। সেলুন, পার্লার খোলা থাকবে। বন্ধ থাকবে স্পা-ও ওয়েলনেস ক্লিনিক। রাজনৈতিক ধর্মীয় বা যে কোনও উৎসব উপলক্ষ্যে লোক জমায়েত করা যাবে না।রাত ১০টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নাইট কারফিউ জারি থাকবে।
বর্ষবরণ উৎসব থেকে বিরত থাকছে কর্ণাটক। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী ৬৫৩ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। দিল্লি ও মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে।

