সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ২৮ আগস্ট: মৃতদেহ উদ্ধারের দুদিনের মধ্যেই খুনের কিনারা করল পুলিশ।আজ একথা জানিয়ে পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি সাংবাদিকদের জানান, গত ২৬ তারিখে শালতোড়া থানার বামুনতোড় অঞ্চলের ঝগড়াডিহি গ্ৰামের নির্জন রাস্তায় একটি কার্টুনের মধ্যে হাত পা বাধা অবস্হায় এক মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে শালতোড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়। মৃতদেহ উদ্ধার করে আশপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
তারপর মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য বিভিন্ন থানায় মৃতদেহের ছবি পাঠানো হয়। বর্ধমানের জামুড়িয়া থানা থেকে এক ব্যক্তি নিখোঁজ বলে খবর মেলে। এরপরই নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারকে খবর দেওয়া হয় মৃতদেহ শনাক্ত করার জন্য। মৃতের পরিবারের সদস্যরা এসে মৃতদেহ শনাক্ত করেন। এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ।
অনুসন্ধানের পর পুলিশ হীরাপুর থানার সাহায্যে গোলাম জিলানী ওরফে গোল্ডীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।তখনই সে কি ভাবে হীরাপুরের মক্কা অ্যাপার্টমেন্টের একটি ফ্ল্যাটে তৌফিককে খুন করে, তারপর বন্ধু আব্দুল কাদের ওরফে ভুট্টুকে সঙ্গে নিয়ে মৃতদেহ হাত পা বেঁধে কার্টুনে ভরে মোটরসাইকেল করে শালতোড়া থানার ঝগড়াডিহিতে ফেলে দেয়।
গোল্ডীকে জেরার সূত্রে আব্দুল কাদেরকে গ্ৰেপ্তার করা হয়। আজ তাদের বাঁকুড়া আদালতে পেশ করে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে বলে শ্রী তেওয়ারি জানান।

