আমাদের ভারত, ৮ নভেম্বর: সংসদের বাদল অধিবেশন উত্তাল হয়েছিল পেগাসাস ইস্যুতে। আর তার ফলে তেমন কোনো আলোচনা বা গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করানো যায়নি সেইসময়। তাই স্বাভাবিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলি পাস করানোর জন্য শীতকালীন অধিবেশনেরকেই এবার পাখির চোখ করেছে মোদী সরকার। চলতি মাসের শেষের দিকে শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে নভেম্বরের ২৯ তারিখ থেকে অধিবেশন শুরু হবে, চলবে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সোমবার কেন্দ্রের কাছে এই মর্মে প্রস্তাব পাঠিয়েছে ক্যাবিনেট কমিটি অফ পর্লামেন্টারি আফেয়ার্স। গত দেড় বছর যেভাবে কোভিড বিধি মেনে সংসদের অধিবেশন চলেছে এবারও সেই একই বিধি মানা হবে।
সব মিলিয়ে অধিবেশন চলবে মোট কুড়ি দিন। গত বছর পর করোনার কারণে শীতকালীন অধিবেশন বাদ পড়েছিল। কাটছাঁট হয়ে গিয়েছিল বাজেট ও বাদল অধিবেশনও। শেষ কয়েকটি অধিবেশনে খুব কঠোরভাবে কোভিড বিধিমালা হয়েছে। সাংসদদের কোভিড পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক ছিল। এদিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অফ পর্লামেন্টারি আফেয়ার্স এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে।
বাদল অধিবেশন পেগাসাস ইস্যুতে উত্তাল হয়েছিল। বিরোধী ও শাসকদের মধ্যে তুলকালাম বিরোধের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল সংসদে। ফলে সংসদ অচল হয়। আর সংসদ অচল থাকার কারণে জনগণের করের টাকা নষ্ট হয় বলে সরব হয়েছিল শাসক দল। সংসদ না চালার জন্য কত কোটি টাকা কিভাবে নষ্ট হয়েছে তার খতিয়ান তুলে ধরেছিল শাসক দল। একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যেখানে ১০৭ ঘন্টা সংসদের অধিবেশন চলির কথা ছিল, সেখানে মাত্র ১৮ ঘণ্টা সংসদ চলেছে। অর্থাৎ ৮৯ ঘন্টা জলে গেছে। যার ফলে করদাতাদের ১৩৩ কোটি টাকা নষ্ট হয়েছে।

