সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২ এপ্রিল: তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে কাটমানি, চাল চোরদের ভোট দেওয়া। এরা সিপিএমের প্রকল্পকে নতুন নাম দিয়ে মানুষকে বোকা বানাচ্ছে। বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় এক সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানালেন হাবড়া বিধানসভার সংযুক্ত মোর্চার সিপিএম প্রার্থী ঋজি নন্দদ বিশ্বাস। তিনি বলেন, ভারতবর্ষে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্থম্ভ হল মিডিয়া। সেই মিডিয়া এখন কর্পোরেট পরিচালিত হয়ে গিয়েছে। প্রাক্তন ও অস্থায়ীদের নিয়ে মিডিয়া বেশি করে হাইলাইট করছে। এর ব্যখা দিয়ে তিনি বলেন, তৃণমূল ও বিজেপি একই কারখানা থেকে প্রডাকশন, শুধু লেবেল আলাদা তাই এরা যে কে কোন দলে যাবে সেটাই বেশি করে হাইলাইট করছে মিডিয়া। তবুও এই গণমাধ্যম দিয়েই আমরা আমাদের বক্তব্য জানাতে চাই। তৃণমূল সরকার তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত থেকে। আজ বিজেপি তৃণমূলের লড়াইয়ে প্রমাণিত যে নন্দীগ্রামে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য গুলি চালায়নি। সে দিন আমরা মানুষকে বোঝাতে পারিনি। তাপসী মালীর দেহ নিয়ে মুখরিত করেছিল মিডিয়া, শুধু নন্দী গ্রাম নয়, সিঙ্গুর, কঙ্কাল কান্ড সহ একাধিক ঘটনার সাক্ষী বাংলার মানুষ।

এছাড়াও তিনি বলেন, এই তৃণমূল সরকার বেকার যুবক যুবতীদের ১০ বছর নষ্ট করে দিয়েছে। কোনও দফতরে চাকরি দেয়নি। সেই সব নিয়ে একবারও মুখ খুলছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পায়ে প্লাস্টার লাগিয়ে স্লোগান তুলছে “খেলা হবে”। আর বামেদের প্রকল্প গুলির নাম বদলে নিজেদের নামে চালাচ্ছে, দুয়ারে সরকারের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন। বিধানসভা থেকে উন্নয়নের কাজ হয় না তাই আমরা শুরু করেছিলাম পঞ্চায়েত ভোট। সেই পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল কাউকে প্রার্থী হতে দেয় না। নিজেরাই মেরে কেটে ভোট লুট করে সদস্য হয়েছে। এছাড়া ১০০ দিনের কাজ থেকে শুরু করে আমফানের টাকা থেকে কাটমানি খাচ্ছে এই সরকার। পাশাপাশি গরিব মানুষের চাল চুরি করে বাংলাদেশে পাচার করছে এই সরকার। তাই এই সরকারকে ভোট দিলে চোরকে সাহায্য করা হবে। সংযুক্ত মোর্চাকে আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। তাহলে এই রাজ্যে ফের শান্তি ফিরবে।

