স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ২৮ মে: গ্রামবাসীদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল হলেন গ্রামবাসীরা। নদিয়ার চকদিগনগরের ঘটনা।
গত শুক্রবার রেলের তরফ থেকে নোটিশ জারি করা হয়।
জানা গেছে, শান্তিপুর–কৃষ্ণনগর রেল লাইনের পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলির তিনটি রাস্তা রয়েছে। তিনটি রাস্তার মধ্যে একটি রাস্তাতেই রেলগেট রয়েছে বাকি দুটোতে রেলগেট নেই। আর সেই রেলগেট না থাকার কারণে দুটি রাস্তা বন্ধ করার নোটিশ জারি করে পূর্ব রেলওয়ে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে কয়েক হাজার পরিবার। তাদের অভিযোগ, বিকল্প কোনও ব্যবস্থা না করে রেলের এই সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিতে পারছেন না, তাই তারা আজ বিক্ষোভে সামিল হলেন। দীর্ঘক্ষন ধরে এই রাস্তা অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ দেখালেন।
আজ পূর্ব রেলের তরফ থেকে আধিকারিকরাও সেখানে পরিদর্শন করতে এসেছিলেন। আধিকারিকদের ঘিরেই বিক্ষোভ শুরু করেন গ্রামবাসীরা। তাদের দাবি, বিকল্প ব্যবস্থা না করলে তারা রাস্তা বন্ধ করতে দেবেন না। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কৃষিকাজ থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজকর্মের ক্ষেত্রে এই রাস্তাগুলো তাদের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। যদি রেল কর্তৃপক্ষ এই রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেয় তাহলে বড় সমস্যায় পড়বে কয়েক হাজার পরিবার। তাদের ঘুর পথে ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে তারা বড় সমস্যার সম্মুখীন হবেন বলে জানালেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে বিকল্প ব্যবস্থা না করলে তারা কখনই রাস্তা বন্ধ করতে দেবেন না।

এই দাবি নিয়ে তারা দীর্ঘক্ষন ধরেই পূর্ব রেলের আধিকারিকদেরকে ঘিরে বিক্ষোভ করেন। পরে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। রেল আধিকারিকদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রেলের প্রথম লক্ষ্য সুরক্ষার দিক দেখা। গ্রাম থেকে যেসব পাসিং রুটগুলো রয়েছে রেললাইনের উপর দিয়ে সেগুলোতে কোনও রেলগেট নেই, তাই যে রাস্তাগুলোতে রেলগেট নেই মানুষের সুরক্ষার জন্য সেই রাস্তাগুলো বন্ধের জন্যই তারা এসেছেন। তিনি আরো জানান, গ্রামবাসীদের সমস্যার বিষয়টি তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন, যা ব্যবস্থা নেবার তারাই নেবেন।

