আমাদের ভারত, ১৯ এপ্রিল: অস্বাভাবিক মৃত্যু হল অধ্যাপক অভিজিৎ শর্মা রায়ের। দমদম আর বিধানগর স্টেশনের মাঝে রেললাইনে তাঁর দেহ পাওয়া যায়। বয়স হয়েছিল ৫১। তাঁর স্ত্রী ও এক পুত্র বর্তমান।
মৌলানা আজাদ কলেজের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, চন্দননগর কলেজের প্রাক্তন এই অধ্যাপক সোমবার সান্ধ্য ভ্রমণে বেরিয়ে নিখোঁজ হন।
এর পর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। পরিচিতরা তাঁর খোঁজ করতে শুরু করেন। ফেসবুকে তাঁর চেহারা ও সর্বশেষ পোষাকের বর্ণনা দিয়ে নিখোঁজ বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আবেদন করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে মৃতদেহ উদ্ধারের খবর বাড়িতে আসে। এক শুভানুধ্যায়ী এই প্রতিবেদককে বলেন, “সারা রাত আমরা সম্ভাব্য জায়গায় খোঁজ করে পাইনি। পরে রেল পুলিশের কাছ থেকে জানতে পারি। ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু বলে প্রাথমিক অনুমান করা হলেও ময়না তদন্ত না হলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না। পুত্র দিল্লিতে থাকে। ও ফিরে এলে বুধবার শেষ কাজ করা হবে।”
অভিজিৎবাবুর এক সহকর্মী এই প্রতিবেদককে বলেন, “আমরা কেউ এটা মেনে নিতে পারছি না। উনি সরকারি কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। হলদিয়া, চন্দননগর, দার্জিলিং কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। বর্তমানে মৌলানা আজাদ কলেজের ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। চার মাস আগে তাঁর বাবার প্রয়াণ ঘটে। তারপর থেকে তিনি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সান্ধ্য ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। সুগার, প্রেসার, অবসাদ প্রভৃতি নানা অসুখ ছিল। ওষুধ বাদ পড়লে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা সব সময় ছিল। শান্ত, ভদ্র বিনয়ী এবং বুদ্ধিমান ব্যক্তি ছিলেন। ছাত্র- শিক্ষক সকলের প্রিয়। মৃত্যু কিভাবে হল এখনও নির্দিষ্টভাবে জানি না।“

