স্নেহাশিস মুখার্জি, নদীয়া, ৮ জুলাই: নির্দল প্রার্থীর আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত শাসক দলের প্রার্থীর অনুগামীরা। শান্তিপুর ব্লকের গয়েশপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ভোলাডাঙ্গা মাঝের পাড়ার ঘটনা।
তৃণমূলের দুই প্রার্থীর ঘনিষ্ঠদের ভোট না দিতে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নির্দল প্রার্থী খবির শেখ এবং তার লোকজনের বিরুদ্ধে। ওই নির্দল প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা নাকি ভোটকেন্দ্রে নিজেদের লোকজন নিয়ে বুথজ্যাম করার চেষ্টা করছিলো। তৃণমূল প্রার্থী প্রতিবাদ করলে বাধে বচসা এবং তা থেকেই, কোপাকুপি। ধারালো অস্ত্র, রড, শাবল নিয়ে মারামারিতে ভোট কেন্দ্রের সামনেই রণক্ষেত্র তৈরি হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় এবং রাজ্য পুলিশের স্বল্প সংখ্যক পুলিশ এবং সিভিক ভলান্টিয়ারের সামনে এই সংঘর্ষ চলে। কিছুক্ষণ বাদে পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢোকে। এরপর দুই অশান্তিকারীরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় তৃণমূলের সাত আট জন আহত হয়েছে, যার মধ্যে চারজন গুরুতর আহত। তাদের শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে, দুজনকে জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অন্যদিকে নির্দল প্রার্থীর পক্ষেও দুজন গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, নদীয়ার বহিরগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের কুলগাছি গ্রামেও তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আহত হয়েছেন এক তৃণমূল কর্মী। মারুফুল মন্ডল নামে ওই যুবক যখন ভোট দিতে যাচ্ছিলেন সেই সময় বাঁশ দিয়ে মারে তৃণমূলের অপর গোষ্ঠী। বর্তমানে মারুফুল গুরুতর অবস্থা অবস্থায় রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।

