পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৮ এপ্রিল: ভোটের মুখে শাসক দলকে চাপে ফেলে তৃণমূল ছাড়লেন বালুরঘাট পৌরসভার বিদায়ী কাউন্সিলর ব্রতময় সরকার। বৃহস্পতিবার বালুরঘাটে বিজেপির দলীর জেলা কার্যালয়ে তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। নির্বাচনের মাত্র ১৮ দিন আগে বিদায়ী কাউন্সিলরের এমন দল বদল ঘিরে জোর আলোড়ন পড়েছে শহরজুড়ে। ২০১৩ সালে পুর ভোটে জয়ী হবার পর পৌরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বসহ জেলা যুব সহ সভাপতি ও শহর যুব সভাপতির মতো একাধিক দায়িত্ব সামলেছেন ব্রতময় সরকার ওরফে বিল্টু। ফলে নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে তার দলবদল যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে জেলার রাজনৈতিক মহল। যদিও ওই নেতার দলত্যাগে কোনও প্রভাবই পড়বে না বলে জানিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্বরা।
এদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে ব্রতময় সরকার জানিয়েছেন, বাম এবং তৃণমূলের বিগত ৪৪ বছরে পশ্চিমবঙ্গে বারবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে বাংলার উন্নয়ন থমকে গিয়েছে। রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার অবশ্যই প্রয়োজন, আর তাতেই এরাজ্যের উন্নয়ন হবে। এদিকে দীর্ঘ সময় পুরসভায় নির্বাচন না হওয়ায় সাধারণ মানুষ অতি সাধারণ পরিষেবাও পাচ্ছে না শহরে। যার জেরে ক্ষিপ্ত সাধারণ মানুষ। দল তাদের গুরুত্ব না দেওয়ায় শুধু তিনিই নন, আরও কয়েকজন বিদায়ী কাউন্সিলরও দল ছাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বিজেপির বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলর তাদের দলে যোগ দিয়েছেন। পুরসভায় থাকাকালীন তিনি ভালো কাজ করেছেন। তার মতো সাংগঠনিক লোক দলে আসায় ভোটের মুখে বিজেপির সাংগঠনিক ভিত মজবুত হবে।
তৃণমূলের কো অর্ডিনেটর সুভাষ চাকি জানিয়েছেন, ব্রতময় বহুদিন আগেই তৃণমূলের সঙ্গ ছেড়েছে। তাই তার দল ছাড়াতে তৃণমূলের কোনও ক্ষতিই হবে না।

