কোচবিহারে গুলি কাণ্ডে কমিশনকে নালিশ তৃণমূলের, বিজেপির নিশানা মমতার ‘উস্কানি’

রাজেন রায়, কলকাতা, ১০ এপ্রিল: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ফেলার নিদান দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার ফল হল মারাত্মক। কোচবিহারে গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু হল ৪ জনের। কোচবিহারের মাথাভাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এ বার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। শনিবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনে গিয়ে নালিশ জানান পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে সাংসদ সৌগত রায় ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও গিয়েছিলেন কমিশনে।

সেখানে পৌঁছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ তুলে সৌগত রায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু বললে শো-কজ। আর যে বাহিনী গুলি চালালো তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে?”

একই সুর সুব্রত ও সুদীপের কণ্ঠেও। পঞ্চায়েত মন্ত্রী বলেন, “এই ঘটনা নজিরবিহীন। আমরা দেখছি প্রধানমন্ত্রী নিজে উস্কানিমূলক বক্তৃতা দিচ্ছেন। এটা কি চলতে পারে? প্রত্যক্ষভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে। না হলে সংঘর্ষ ছাড়াই গুলি চলছে। এর কোনও যুক্তি নেই। কতগুলো নিরীহ মানুষ মারা গেল।”

তৃণমূলের প্রতিনিধি দল ফিরে যাওয়ার পর কমিশনে হাজির হন বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, “ভাল ভোট হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক ঘটনা ঘটল শীতলকুচিতে। ভোটার লাইনে মায়ের সামনে ছেলেকে গুলি করা হল। কোনও উস্কানি ছিল না। এ ঘটনা মানা যায় না।” যদিও এই ঘটনার পর কোচবিহারে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রবেশ নিষেধ ৭২ ঘন্টা। কাল কোচবিহার জেলায় যেতে পারবেন না মমতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *