রাজেন রায়, কলকাতা, ১০ এপ্রিল: কোচবিহারের ঘটনার পর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচির বুথের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে প্রাণ গিয়েছে চার ব্যক্তির। প্রথম বার ভোট দিতে গিয়ে সংঘর্ষের মাঝে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক ১৮ বছরের যুবক আনন্দ বর্মন। এই ঘটনার জেরে সন্ধ্যায় জেলায় রাজনৈতির দলের নেতা-নেত্রীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন।
শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে বাইরে সংঘর্ষ হয়। “ইভিএমের মতো সরকারি সম্পত্তি এবং নিজেদের জীবন বাঁচাতে” গুলি চালাতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। কমিশন জানায়, “ভুল বোঝাবুঝির কারণে বিক্ষুব্ধ জনতা বুথের কাছে সিআইএসএফ সদস্যদের উপর মারাত্মক সরঞ্জাম নিয়ে হামলা চালিয়েছিল এবং তাদের কেউ কেউ বাহিনীর সদস্যদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করেছিল।” মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, তিনি রবিবার শীতলকুচি গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন।
সূত্রের খবর, আগামী ৭২ ঘণ্টা কোচবিহারে রাজনীতিবিদদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল কমিশন। এই সময়ে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা বাইরে থেকে কোচবিহারে ঢুকতে পারবেন না। নেতা-নেত্রীরা সেখানে গেলে এলাকায় উত্তেজনা বেড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে ধারণা করছে কমিশন।

