হালে পানি পেল না তৃণমূলের দাবি, রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত ইস্যু নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ, ওয়াকআউট তৃণমূলের

আমাদের ভারত, ৪ ফেব্রুয়ারি:রাজ্যপাল রাজ্যের নজিরবিহীন সংঘাতের সাক্ষী এখন রাজ্যবাসীর সঙ্গে গোটা দেশ। সংসদে রাজ্যপাল ইস্যুতে তৃণমূল আলোচনা করতে চাইলে তা নাকচ হয়ে যায়। প্রতিবাদে ওয়াক আউট করে তৃণমূল সাংসদরা।

নানা ইস্যুকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার সরকারকে প্রশ্ন করা সহ একাধিক বিষয়ে আইন স্মরণ করিয়ে আক্রমণ করেন রাজ্যপাল। পাল্টা আক্রমণ শানায় রাজ্য সরকারও। তবে সাম্প্রতিক কালে সেই সংঘাত তুঙ্গে উঠেছে।এতটাই তুঙ্গে উঠেছে যে রাজ্যপালকে টুইটারে ব্লক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলের তরফে আগেই সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিষয়টি উত্থাপনের ইঙ্গিত ছিল। শুক্রবার রাজ্য সভার অধিবেশন চলাকালীন তৃণমূলের তরফে সংসদে রাজ্যপালকে নিয়ে আলোচনার করার প্রস্তাব নাকচ করেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান। তৃণমূলের দেওয়া প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করে তৃণমূলের সাংসদরা।

রাজ্যপালের কারণে তৈরি হওয়া সমস্যার কথা বারবারই জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে তুলে ধরতে সচেষ্ট হয় তৃণমূল। তৃণমূল নেতাদের দাবি রাজ্যপাল সাংবিধানিক প্রধান হলেও আদতে তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। দিল্লির বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের খুশি করতেই তিনি রাজ্য সরকারের কাজে সমস্যা তৈরি করছেন।

৩১ জানুয়ারি সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দে কাছে জগদীপ ধনখড়কে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন লোকসভা তৃণমূল নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেট অধিবেশনে মোদীর কাছে রাজ্যপালকে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। যদিও মোদী রসিকতার মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন এমনটা তারা করবেন না। এরপরেও রাজ্যপালকে ঘোড়ার পাল বলে নজিরবিহীন আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কড়া ভাষায় তার পাল্টা দিয়েছেন রাজ্যপাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার রাজ্যপালের বিরুদ্ধে একাধিক আইন ভাঙার অভিযোগ করেছেন। রাজ্যপালও পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়কে বলেছেন যদি অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেন তাহলে তিনি ইস্তফা দেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *