আমাদের ভারত, ২৮ অক্টোবর: চার রাজ্যের বিধান পরিষদে খাতা খুলতে পারেনি কংগ্রেস। ব্যালটে হওয়া নির্বাচনে ২৮ আসনের মধ্যে হাত শিবিরের সংগ্রহ শূন্য। বিধান পরিষদের এই ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেসকে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী কটাক্ষ করে বলেন, ব্যালেটে ভোট হয়েছিল, কটা আসন পেলেন?
ভোট চুরি নিয়ে প্রায়শই আন্দোলন করতে দেখা যায় রাহুল গান্ধীকে। কখনো জেন জি-র মন পেতে ছাত্র কি গুঞ্জ করেছেন, কখনো সুপ্রিম কোর্ট অভিযান, কখনো রামলীলা ময়দানে জনসভা। বিরোধী শিবির দাবি করেছে, দেশ জুড়ে মোদী বিরোধী হাওয়া বইছে। কিন্তু কোথায় কী? ভোটের ফলাফলে এসবের কোনো প্রতিফলনই দেখা যাচ্ছে না।
কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ এবং বিহার, এই চার রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদের আসনে ভোট হয়েছিল। বিধান পরিষদ নির্বাচনগুলিতে সীমিত কিছু ভোটাররা অংশ নেন। মূলত শিক্ষক ও স্নাতক ভোটাররা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। সেই নির্বাচনে চার রাজ্যের
২৮টি আসনে খাতাই খুলতে পারেননি কংগ্রেস। বিশেষ করে নিজেদের দখলে থাকা কর্ণাটকে বড় ধাক্কা খেয়েছে হাত শিবির। সেখানে চারটে আসনেই জিতেছে এনডিএ জোট।
উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদের ১১ আসনে সার্বিকভাবে কিছুটা এগিয়ে বিজেপি। তবে সমানে সমানে টক্কর দিচ্ছে সমাজবাদী পার্টি। বিহারে খাতা খুলে ফেলেছে প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি। বিধানসভায় যে আরজেডি ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল তারাও পাটনায় গুরুত্বপূর্ণ আসন জিতেছে। সেখানে কংগ্রেস শূন্য। হাত শিবিরের আগের বারের জেতা আসনটি এবার গিয়েছে পিকে’র দলের কাছে। একই ছবি মহারাষ্ট্রে, সেখানে শরদ পাওয়ারের দল খাতা খুললেও শূন্য কংগ্রেস।
কংগ্রেসের এই শূন্যতা নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদী বলেছেন কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ এবং বিহারর রাজ্যের ২৮ আসনের বিধান পরিষদ নির্বাচন হয়ে গেল। ব্যালটে ভোট হয়েছিল। কংগ্রেস কটা আসন জিতেছে বলুন তো? বস্তুত প্রধানমন্ত্রীর খোঁচাটা ছিল ওই ভোট চুরি নিয়ে কংগ্রেসের করা আন্দোলনকে ঘিরে। মোদী বোঝাতে চেয়েছেন, ভোট চুরি আন্দোলন বিফলে গেছে। ব্যালটে নির্বাচন হলেও কংগ্রেসের ভাগ্যে সেই শূন্যই জুটেছে।

