আমাদের ভারত, ১৩ মার্চ: বাংলায় এখন অনেক মিনি কাশ্মীর রয়েছে। রবিবার কলকাতায় আজাদি কা অমৃত মহোৎসব অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে এমনটাই অভিযোগ করেছেন দ্যা কাশ্মীর ফাইল সিনেমার পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। আর পরিচালকের সাথে এই বিষয়ে সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন এটা সত্য। পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী, অভিনেতা অনুপম খেরের মতো মানুষের কাছে যথেষ্ট পরিমাণে তথ্য থাকে। বিজেপি নেতারও দাবি, রাজ্যের সীমান্তবর্তী অনেক গ্রামের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকট জনক।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, বাংলার বহু জায়গায় পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকট জনক। উগ্র মানসিকতা সম্পন্ন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। বিশেষত সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে জনসংখ্যার তারতম্য দেখেন যদি, বিগত ২০- ৩০ বছরে ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ দেখলেই বুঝতে পারবেন কি চলছে সেখানে। একটাই চেষ্টা চলছে ওই সব এলাকায়। সুকান্ত বলেন, যারা উগ্র মানসিকতার মানুষ আছে যারা মনে করে পৃথিবীতে একটি ধর্মের মানুষেরই বেঁচে থাকার অধিকার আছে, বাকিরা সব অভিশপ্ত মানুষ। তাদের তরফ থেকে এই ধরনের চেষ্টা চলবেই। কিন্তু আমাদের এটাকে আটকাতে হবে।”
বালুরঘাটের সাংসদ আরও বলেন, ইসলামপুরের কিছু গ্রাম আছে যেখানে বিয়ে বাড়ির বাজনা নিয়ে মসজিদের সামনে দিয়ে যাওয়া যায় না। সেখানে সেই অধিকার নেই। বেশ কিছু জায়গা আছে যেখানে পুজো করতে পারবেন না। দুর্গাপুজো করা যায় না। দক্ষিণবঙ্গের এক গ্রাম আছে যেখানে দুর্গাপূজা করতে গেলে শর্ত হচ্ছে গরু জবাইয়ের শর্ত মেনে নিতে হবে।” পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর কথা যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ তা স্বীকার করে নিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার।
প্রসঙ্গত, পরিচালক রবিবার কলকাতায় বলেছেন, দ্য বুদ্ধা ইন আ ট্রাফিক জ্যাম চলচ্চিত্রের জন্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে শারীরিকভাবে টার্গেট করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, বাংলা কাশ্মীর হওয়ার আগে বাংলার গল্প জনগণের সামনে আনতে চান তিনি। বাংলার রাজনীতির কি ভাবে পতন হয়েছে তা দেখানোর জন্য পরিচালক একটি সিনেমা বানাতে চান বলেও জানিয়েছেন। তাঁর কথায় বাংলা কাশ্মীর হওয়ার আগেই এই কাজ শেষ করে ফেলতে হবে তাঁকে।

