ছাপ্পা ভোট আটকানোয়, নির্বাচন শেষ না হলেও দিদির ঘুম উবে গেছে, বললেন প্রধানমন্ত্রী

স্নেহাশীষ মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদীয়া, ১১ এপ্রিল:
“নির্বাচন এখনো শেষ হল না কিন্তু দিদির ঘুম উবে গিয়েছে, দিদির রাগ আকাশ ছুঁয়েছে, দিদি হতাশ হয়ে পড়েছেন। আসলে ছাপ্পা ভোট আটকানোয় দিদি হতাশ হয়ে পড়েছেন।” চতুর্থ দফার ভোটের দিন শনিবার কৃষ্ণনগর এসে নরেন্দ্র মোদী এভাবেই মমতাকে আক্রমণ করেন।

কৃষ্ণনগরে মুকুল রায়ের সমর্থনে জনসভায় মোদী বলেন, বাংলার জনগন ঈশ্বরের রূপ। জনতার সামনে কারও অহংকার টেকে না। কিন্তু দিদি কেনো বুঝতে পারছেন না? দিদি সকলকেই গালি দিচ্ছেন। দিদি নির্বাচন কমিশনকে গালি দিচ্ছেন, কেন্দ্রীয়বাহিনীকে গালি দিচ্ছেন, বাংলার জনতাকে গালি দিচ্ছেন, ইভিএমকে গালি দিচ্ছেন। আবার নিজের দলের পোলিং এজেন্টকেও গালি দিচ্ছেন। এছাড়াও তফশিলি ভাই বোনদেরও গালি দিচ্ছেন। আসলে দিদি হতাশ হয়ে পড়েছেন। কাকে কি বলছেন বুঝতে পারছেন না।

তিনি বলেন, ‘আগামী ২রা মে বাংলায় আসল পরিবর্তন হতে চলেছে। বাংলায় বিজেপি সরকার গড়বে। বাংলার জনতা দিদিকে আর মেনে নিতে পারছেন না। তারা পরিবর্তন চাইছেন। তাই আগামীতে বিজেপি সোনার বাংলার সংকল্প পুরন করবেন। এই সোনার বাংলা গড়ার কারিগর বাংলার মানুষ নিজেদের হাতে গড়ে তুলবেন। সরকার গুন্ডাদের দ্বারা পরিচালনা করেছেন দিদি। আর গুন্ডামি চলবে না, তোলাবাজি, তোষণ, সিন্ডিকেট রাজ চলবে না। খেলা শেষ হবে, দিদির হিংসার খেলা শেষ হবে। তিনি বলেন ২মে–র পর দিদির বিদায় হবে, ভাইপোর নতুন খেলা হবে।

তিনি বলেন, ‘দিদি হার জেনে পুরনো খেলায় মেতেছেন। দিদি হারছেন জেনে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছেন না। বাংলার জনতা এবার দিদিকে জবাব দেবে। ভোটে হিংসা হচ্ছে, তা দিদির ভাষণের কারণে হচ্ছে। এরপর প্রশাসন গুণ্ডাদের কথায় চলবে না। প্রশাসন তাদের নিজেদের দায়িত্ব নিজেদের মত সামলাবেন। বাংলায় মহিলাদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আর দিদির কট্টরবাহিনীদের উপর ভরসা বেশি। কারন তাদের ভোট ব্যাংক দিদির দরকার। পরাজয় জেনে দিদি হিংসার চেষ্টা করছেন। ছাপ্পা ভোট আটকানোর ফলে দিদির চিন্তা বেড়েছে। এরপর মোদী দিদির দলের উদ্দেশ্যে বলেন, এতোদিন বাংলার মানুষদের যারা লুটেছে তাদের সাজা পেতে হবে। বাংলার মানুষ তাদের আর লুটতে দেবে না। আগামি ২রা মে বাংলার মানুষ তাদের বিজেপি সরকার আনবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *