স্নেহাশীষ মুখার্জি, নদিয়া, ১১ এপ্রিল: মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কারণে শীতলকুচিতে সেনা জওয়ানের আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিতে গিয়েছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তাদের ওপর হামলা চালিয়েছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই ঘটনা। এদিন কোচবিহারের শীতলকুচি নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
তিনি শান্তিপুরে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে আসেন। সেখানে শান্তিপুরের ডাকঘর থেকে রোড শো শুরু করেন এবং শান্তিপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে তা শেষ করেন। এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহ বলেন, শীতলকুচির ঘটনা খুব দুঃখজনক। শীতলকুচিতে সেনাদের গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর আগে সেখানে আনন্দ বর্মন নামে একজনের মৃত্যু হয়। মমতা ব্যানার্জি চারজনকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিলেও আনন্দ বর্মনকে কোনও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেননি। এটা বাংলার সংস্কৃতি নয়। নির্বাচনের আগেই
শীতলকুচিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে বক্তব্য দিয়েছেন তার ফলেই অতি উৎসাহী হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালায়। নিজেদের বাঁচানোর তাগিদে সিআরপিএফ গুলি করে। এদিনের রোড শো ঘিরে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শান্তিপুরে রোড শো শেষ করে তিনি রানাঘাটের দক্ষিণ বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারীর সমর্থনে সেখানেও রোড শো করেন।

