সাথী দাস, পুরুলিয়া, ৩১ মে: অতিরিক্ত পণের দাবি! বিয়ের এগারো মাসের মাথায় বধূ খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল স্বামী। ঘটনাটি ঘটে পুরুলিয়া সাঁওতালডি থানার পড়াডি গ্রামে। সোমবার, অভিযুক্তকে রঘুনাথপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
এগারো মাস আগে ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার গান্ডে থানার দাসডি গ্রামের বাসিন্দা নেহা রানী পাণ্ডের (২২) সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সাঁওতালডি থানার পড়াডি গ্রামের বাসিন্দা বিষ্ণুদেব পান্ডের। বর্তমানে তাঁদের একটি সন্তানও আছে। মৃতার বাবা চন্দ্রকান্ত পাণ্ডের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই অতিরিক্ত পণ হিসেবে মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকজন পঞ্চাশ হাজার টাকা ও একটি মোটরবাইকের দাবি করে আসছিল। এই নিয়ে তাঁদের মেয়ের উপর প্রায় দিন শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত শ্বশুর বাড়ির লোকজন।

মৃতার বাবা জানান, রবিবার সকালে তাঁকে জানানো হয় যে তাঁর মেয়ে অসুস্থ আছে। কিন্তু গিয়ে দেখেন শ্বশুর বাড়িতে সিলিং ফ্যানে ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে মেয়ের দেহ। মৃতার বাবার অভিযোগ, মেয়ের স্বামী, শাশুড়ি সহ ৬ জন মিলে তাকে খুন করেছে।
রবিবার পুলিশ মৃতদেহটি মেজিস্ট্রের পর্যায়ে তদন্তের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। স্বামী সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে পণের দাবিতে মেয়েকে খুনের অভিযোগ করেন বাবা। অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতেই মৃতার স্বামী বিষ্ণুদেব পান্ডেকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার ধৃতকে রঘুনাথপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।


