পুরভোটের প্রচার ও বাহিনী বিন্যাস নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি কমিশনের

রাজেন রায়, কলকাতা, ১১ জানুয়ারি: ভোট প্রচার নিয়ে ফের নতুন নির্দেশিকা জারি নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কোনও রকম ভাবেই লাউড স্পিকার বাজানো যাবে না। রাত ন’টা থেকে পরের দিন সকাল আটটা পর্যন্ত প্রচার করা যাবে না। ৭২ ঘন্টা আগেই ভোটের প্রচার পর্ব শেষ করতে হবে। কোনও রকম প্লাস্টিকের ব্যানার-পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। শব্দ দূষণ থেকে রাজনৈতিক দলগুলি যাতে সচেতন হয়, তার জন্যই এই উদ্যোগ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। আরও জানানো হয়েছে, একই সঙ্গে কোডিড বিধি ভাঙার জন্য এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ জনকে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এই ৪ পুরসভায় মোট ভোটার ১৯ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৬২ জন। শিলিগুড়িতে ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৮৯৫ জন। চন্দননগরে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮৩৯ জন। বিধাননগরে ৪ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬৪০ জন। আসানসোলে ৯ লক্ষ ৪২ হাজার ৮৮ জন। এই ৪ পুরসভায় ভোট নিরাপত্তার লক্ষ্যে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে ৯ হাজার সশস্ত্র বাহিনীর তালিকা। কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের জন্য যেভাবে মোতায়েন করা হয়েছিল সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, ঠিক সেভাবেই আসন্ন চার পুরসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বিন্যাসকে একই রকম ভাবে তৈরি করা হয়েছে।

কমিশনের বিন্যাস অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ১ টি বুথ থাকলে ১ জন এএসআই, ২ জন সশস্ত্র পুলিশ, ১জন লাঠিধারি পুলিশ, ২টি বুথে ১জন এসআই, ২জন সশস্ত্র পুলিশ, ২ জন লাঠিধারি পুলিশ, ৩ টি বুথে ১ জন এসআই, ১জন এএসআই, ২জন সশস্ত্র পুলিশ, ৩ জন লাঠিধারি পুলিশ, ৪টি বুথে ১ জন এসআই, ৪ জন লাঠিধারি পুলিশ, এই বিন্যাসে চলবে। বুথের সংখ্যা বাড়লে বাকি বিন্যাস একরকম রেখে বাড়বে লাঠিধারি পুলিশের সংখ্যা। প্রয়োজন হলে বাহিনীর সংখ্যা বাড়তে পারে, সেই ইঙ্গিত দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এখন দেখার বিষয়, বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে কড়াকড়িভাবে অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে চার পুরসভায় নির্বাচন করতে কতটা সক্ষম হয় কমিশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *