নিখোঁজ ব্যক্তির পচাগলা দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য মেজিয়ায়

সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাকুঁড়া, ১ ফেব্রুয়ারি: আজ সকালে মেজিয়ার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পাশে কাশ ঝোপের ভিতর থেকে এক ব্যক্তির পঁচা গলা দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। গত ৫ দিন ধরে মেজিয়ার কুমোর পাড়ার সুনীল কুম্ভকার (৫৫) নামে এক প্রৌঢ় নিখোঁজ ছিলেন। পুলিশ তার বাড়িতে খবর দিলে তার স্ত্ৰী সীমা কুম্ভকার থানায় এসে মৃতদেহ শনাক্ত করেন।

পুলিশসূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারি থেকে সুনীল কুম্ভকার নিখোঁজ ছিলেন। তারপর তারা তাদের আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ খবর করেও কোনো সন্ধান না পেয়ে ২৯ তারিখ তার স্ত্ৰী থানায় এসে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এদিন স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দা সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প লাগোয়া কাশ বনে শুকনো ডালপালা সংগ্রহ করতে গেলে দুর্গন্ধ পান। কোনো জীবজন্তু মরেছে ভেবে তারা প্রথমে গুরুত্ব দেননি। তারপরই তারা লক্ষ্য করেন একটি গাছে একজন ঝুলছেন। তারাই পুলিশকে খবর দেন। মৃতের দুই মেয়ে। বড়ো মেয়ে পায়েল একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ও ছোটো মেয়ে দিয়া চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।

তাদের এক আত্মীয় প্রতিমা পাল বলেন, বাড়িতে ওইই একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি ছিলেন। দিনমজুরি করে কোনো রকমে সংসার চালাতেন। অন্যান্য দিনের মত সেদিন সকালে চা খেয়ে বেরিয়ে যান। তারপর আর বাড়ি ফিরেননি। এখন দুই মেয়েকে নিয়ে অথৈ জলে পড়ে গেলেন সোমা দেবী। সরকার থেকে কিছু ব্যবস্থা না করলে না খেতে পেয়ে তিনটে প্রাণী মারা যাবে। কিন্তু তার গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার কারণ সম্বন্ধে তারা কিছু বলতে পারেননি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *