পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৩ জুন: দশম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মূল অভিযুক্ত ক্রীড়া শিক্ষক প্রসূন বেরাকে গ্রেপ্তার করেছে সবং থানার পুলিশ।

বুধবার বিকেলে জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা জানান, নাবালিকা যৌন হেনস্তা, নাবালিকা বিয়ের ক্ষেত্রে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে চলছে। ফলে প্রসূন বেরা একজন শিক্ষক হয়ে যে কাজ করেছে তা সমাজের কাছে লজ্জার শুধু নয়, একটা চরম অপরাধ।
গত ১২ মে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী পুলিশের কাছে এসে অভিযোগ করে জানায় সে যখন টিউশন সেরে বাড়ি ফিরছিল তখন কয়েকজন তার পথ আটকায়। প্রসূনের কু প্রস্তাবে সাড়া দিতে বলে। সে রাজি না হওয়ায় তার পোশাক ছিঁড়ে দেয়। শ্লীলতাহানি করে। তারা পালানোর ছক কষছিল। আবার টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মেয়েটির পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ লেগে থাকে।মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে জানা যায় বুধবার তারা একটি গাড়িতে চড়ে দিঘা পালাচ্ছিল। পুলিশ ওত পেতে থাকে। নারায়ণগড়ের কাছে গ্রেপ্তার করা হয় প্রসূন বেরা, সুকুমার জানা, উত্তম সাঁতরা, আশীষ ভৌমিক, সুদীপ্ত বেরা এবং আরো দুই নাবালককে। বৃহস্পতিবার তাদের পকসো আদালতে তোলা হবে।

