সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ১৬ এপ্রিল: জয়ের জন্য মহাযজ্ঞ করলেন বাঁকুড়া জেলার তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী। শুধু মহাযজ্ঞ নয়, ১০ মানতও রাখেন তিনি।
বছরের প্রথম দিনে সিমলাপাল আশ্রমে আয়োজিত মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে যথারীতি মাথায় গেরুয়া ফেট্টি বেঁধে মন্ত্রোচ্চারণ করে ভক্তিভরে যজ্ঞাহুতি দেন তালডাংরা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু। তালডাংরা বিধানসভার পুরোহিত সমাজের উদ্যোগে সিমলাপাল আশ্রম প্রাঙ্গনে এই মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। মহাযজ্ঞে তিনি মুখ্যমন্ত্রী ও তার নামে সংকল্প করেন। মহাযজ্ঞ ঘিরে কৌতুহলী জনতার ভিড় জমে যায় আশ্রম প্রাঙ্গণে।
ফাল্গুনী সিংহবাবুর মতে, তালডাংরা বিধানসভা এলাকার মানুষের সমর্থন কামনাতে পুজোর মন্ত্র পাঠ করা হয়। এই পূজা ও মহাযজ্ঞ করে মানতও রাখেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে ১০টি মানত রাখেন তিনি।আসন্ন বিধানসভা ভোটে জেতার পর সেসব প্রতিজ্ঞা বা মানত পূরণ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন তৃণমূল প্রার্থী। এই ১০ দফা মানত বা প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ সিমলাপালের দলীয় কার্যালয়ে রাখেন প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহ বাবু। এই ১০টি মানতের মধ্যে তালডাংরা বিধানসভা এলাকায় একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি এবং পাঁচমুড়া পেট্রোল পাম্প থেকে পত্রিব্রীজ পর্যন্ত ও কেশরাতি থেকে ব্রজরাজপুর পর্যন্ত রাস্তার কথা বলা হয়েছে। এভাবে ১০টি প্রতিশ্রুতি মানত তুলে ধরা হয়েছে।
ফাল্গুনী সিংহ বাবুর বক্তব্য, বাংলার মানুষের মঙ্গল কামনায় এই যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। পুরোহিত সমাজের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত, সেই সূত্রেই তাকে আমন্ত্রণ জানান হয়েছিল।তিনি আরও বলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী ও তার কাজের জন্য পুরোহিত সমাজ খুশি। তাই পুরোহিত সমাজ তাদের নামে পুজো দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরের আশীর্বাদ চাওয়া মানেই মানুষের সমর্থন চাওয়া। এদিকে এই মহাযজ্ঞ ও মানত স্তম্ভ নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।
বিরোধী দল বিজেপির বক্তব্য, নিশ্চিত হার জেনে মহাযজ্ঞ ও ঠাকুর পূজা। ঈশ্বর সবই জানেন। কোনটা আসল কোনটা লোক দেখানো।

