পুরোভোট কি পিছবে ? কমিশনকে ৪৮ ঘন্টায় সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ আদালতের, সুকান্ত বললেন ‘পাসিং দ্য গেম’ চলছে

আমাদের ভারত, ১৪ জানুয়ারি: রাজ্যে করোনার গ্রাফ ক্রমাগত উর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে বিজেপি। এই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও দায়ের হয়েছে। সেই মামলার শুনানিতে আজ,
করোনা আবহে আদৌ এই মুহূর্তে পুরভোট হবে কিনা তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আর আদালতের এই নির্দেশকেই পাসিং দ্য গেম বলে কটাক্ষ করেছেন সদ্য হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

শুক্রবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে গত রবিবার তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়েই বলেন, সকলের শুভকামনা আশীর্বাদে তিনি এখন ভালো আছেন। শারীরিক সমস্যা সেভাবে নেই দুর্বলতা কিছুটা রয়েছে। আশা করছেন দ্রুত ঠিক হয়ে যাবেন। চিকিৎসকরা তাকে আরও দুদিন বিশ্রামে থাকার কথা বলেছেন। তার পর তিনি বেরোতে পারবেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই রাজ্যের একাধিক ইস্যুতে মন্তব্য করেছেন তিনি। পুরভোট পিছিয়ে দেওয়া হবে কিনা সেটা শেষ পর্যন্ত কমিশনকেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের এই নির্দেশকে কি ভাবে তিনি দেখছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি, তার উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আরও কড়া ভাবেই আদালত এক্ষেত্রে নির্দেশ দিতে পারত বলে তিনি মনে করেন। তার কথায় আদালতের এই নির্দেশে বল আবার কমিশনের কোর্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা পাসিং দ্য গেম ছাড়া কিছুই নয়।

ময়নাগুড়ির রেল দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,
“অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তবে সাধারণ মানুষ, রেল দপ্তরে ভারতীয় সেনারা যেভাবে একসাথে ঝাঁপিয়ে পড়ে উদ্ধারকাজ চালিয়েছে এটা একটা খুব ভালো লক্ষণ বলে মনে হয়েছে আমার। আমাদের প্রায় ৭৬ জন বিজেপি কর্মী রক্তদান করেছে শুধু আলিপুরদুয়ার জেলায়। অন্যদিকে জলপাইগুড়িতে রক্ত দান করেছেন ২৬ জন বিজেপি কর্মী। এছাড়াও হাজার হাজার সাধারণ মানুষ রক্ত দান করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু কেন এই দুর্ঘটনা ঘটলো তার যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত। তবে ঘটনার ১৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছেন আমাদের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণ। আমার মনে হয় গোটা ঘটনার আসল কারণ আমরা শীঘ্রই জানতে পারবো।

এই দুর্ঘটনায় কোনো অন্তর্ঘাত থাকার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেকেরই সন্দেহের অবকাশ থাকতে পারে। তবে সন্দেহ তখনই করা উচিত যখন এই জাতীয় কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হলে গোটা ঘটনার আসল ছবি পরিষ্কার হয়ে যাবে। যারা তদন্ত করছেন তারা যথেষ্ট দক্ষ মানুষ। এখন দেখা যাক রিপোর্টে কি বের হয়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *