আমাদের ভারত, ১৪ আগস্ট: স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন শুক্রবার হুগলি জেলার আদিসপ্তগ্রামে তিরঙ্গা যাত্রায় অংশগ্রহণ করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আদি সপ্তগ্রাম বিধানসভায় ত্রিবেণী বাস স্ট্যান্ড থেকে মগরা স্টেশন পর্যন্ত এই তিরাঙ্গা যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাধীনতা দিবসের জন্য সেজে উঠেছে সারা দেশ। প্রধানমন্ত্রীর ডাকে হর ঘর তিরাঙ্গা কর্মসূচি ইতিমধ্যেই পালন করা শুরু হয়েছে নানা জায়গায়। কলকাতায় নিজের বাস ভবনের ছাদে তিরঙ্গা উড়িয়ে সেই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এবার হুগলির আদি সপ্তগ্রামে তিরঙ্গা যাত্রায় নিজে উপস্থিত থাকলেন। জাতীয় পতাকা হাতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে পা মেলালেন মিছিলে। এদিনের মিছিলে লোকের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। হাতে তিরাঙ্গা, মুখে বন্দে মাতারাম শ্লোগানে মুখরিত হয়েছে গোটা এলাকা।
দেশ জুড়ে এই ঘর তিরাঙ্গা অভিযান চলছে। কেন্দ্র সরকারের এই উদ্যোগে সরাসরি আপনিও যুক্ত হতে পারেন। মিছিলে না যেতে পারলেও বাড়িতে বসে যোগ দেওয়া যাবে সরকারের এই হর ঘর তিরাঙ্গা কর্মসূচিতে। হর ঘর তিরাঙ্গার জন্য একটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট রয়েছে। সেখানে আপনি আপলোড করতে পারেন নিজের ছবি। নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে তার সঙ্গে নিজের ছবি তুলে সেটি আপলোড করলেই মিলবে একটি সার্টিফিকেট। এছাড়াও এই পোর্টালে বন্দেমাতারাম গানটি গাওয়ার সুযোগ থাকছে। পাঁচটি পর্যায় বন্দেমাতরম গান শিখে নিয়ে গাওয়ার সুযোগও পাবেন আপনি। নিজের গাওয়া বন্দে মাতরম গান ওই পোর্টালে আপলোড করাও যাবে।
দেশের ঐক্য, সার্বভৌমত্বকে মজবুত করতেই তিরাঙ্গা যাত্রার ডাক দেওয়া হয়েছে। বহু মানুষ উৎসাহ নিয়ে এই যাত্রায় অংশগ্রহণ করছেন। কোথাও হচ্ছে পদযাত্রা, কোথাও হচ্ছে বাইক মিছিল। জাতীয় পতাকা হাতে ৮ থেকে ৮০ পা মিলিয়েছে এই তিরাঙ্গা যাত্রায়। তবে কেন্দ্রের এই হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচিতে প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গ যুক্ত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে শুভেন্দু অধিকারী হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিতে রাজ্য সরকারের যুক্ত হওয়ার কথা ঘোষণা করেন, তারপর ১০ আগস্ট থেকে রাজ্যজুড়ে এই কর্মসূচি পালন করা শুরু হয়। ইতিমধ্যেই বিতরণ করা হয়েছে ৭০ লক্ষ জাতীয় পতাকা।

