আমাদের ভারত, ১৪ এপ্রিল: “এতদিন যেভাবে ভোট লুট করেছে তা এবার হচ্ছে না। তাই নানারকম কথা বলছেন নেত্রী”। আজ ভোট প্রচারে রায়নায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই ভাবেই আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার নিশানা থেকে বাদ যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। একই সঙ্গে তিনি বুথের গোন্ডোগোল মোকাবিলায় দলের কর্মী সমর্থকদের একটি নিদান দিয়েছেন। তার কথায়, “ভোটের আগের দিন বা ভোটের দিন যেখানে গন্ডগোল করবে বুথ নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ করবেন। ১৫ মিনিটের মধ্যে টিআরটিও চলে আসবে, এমন ডান্ডা পিঠে পড়বে যে অমাবস্যার কোটালে কটকট করবে”।
তোলাবাজ ভাইপো আর না, এই স্লোগান তুলেই শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আর ভোট প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবর তার আক্রমণের কেন্দ্র বিন্দুতে থেকেছে। রায়নার জনসভাতেও তার ব্যাতিক্রম হলো না। শুভেন্দুর কথায় বালি লুটের সব টাকা যায় তোলাবাজ ভাইপোর কাছে। আসানসোলে কয়লা, বীরভূমের পাথর, বর্ধমান হুগলির বালি সব খাচ্ছে। এদের হাত থেকে না বাঁচালে বাংলা আর থাকবে না।”
হাতে গোনা মাত্র দু’দিন। তারপর শনিবার পঞ্চম দফার ভোট। কমিশনের নয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ৭২ ঘন্টা আগে এদিন প্রচার শেষ করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রচারে শেষ লগ্নে রায়নায় বিজেপি প্রার্থী সমর্থনের জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিনের বক্তব্যে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করেছেন। তুলে এনেছেন নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ। শুভেন্দু বলেন, “তৃণমূল কোম্পানির যিনি মালিক তার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে জিততে পারবেন তো? আমিতো হারিয়ে দিয়েছি নন্দীগ্রামে। শুধু গোনাটাই বাকি আছে। কি বলছে মুখ্যমন্ত্রী ? আমি গোলকিপার। আমি সব বল আটকে দেব। নন্দীগ্রামে খেলা শুরু সকাল সাতটায় বিজেপি প্রার্থী ময়দানের সাতটা থেকেই ছিল। গোলকিপার নেমেছে দুপুর দুটোয় ততক্ষণে খেলা শেষ। ৭০ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছে।

