Suvendu, Tarapith, রাজ্যের মঙ্গল কামনায় তারাপীঠে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

আমাদের ভারত, বীরভূম, ২৯ আগস্ট: রাজ্যের মঙ্গল কামনায় মা তারার পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুপুরে দুর্গাপুর থেকে হেলিকপ্টারে বীরভূমের তারাপুর গ্রাম সংলগ্ন সরস্বতী শিশু মন্দির সংলগ্ন অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নামেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে সড়ক পথে মন্দিরের পূর্ব সাগর মোড়ে নেমে হেঁটে মন্দিরে যান। সেখানে পুষ্পস্তবক দিয়ে তাঁকে সম্বর্ধনা জানান মন্দিরের সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়, গুরুসরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ধ্রুব চট্টোপাধ্যায়, অশোক মুখোপাধ্যায়রা। এরপরেই নিজে হাতে পুজোর ডালি নিয়ে মা তারার গর্ভগৃহে ঢুকে ষোড়শ উপাচারে পুজো দেন। পাঁচটি মালা মা তারাকে পরান। তবে মন্দিরের সেবাইতদের সঙ্গে যে সময় দেওয়ার কথা ছিল সেই সময় তিনি দিতে পারেননি বলে জানান মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “কৌশিকী অমাবস্যা অন্যানবারের থেকে আরও ভালোভাবে করতে হবে।”

এদিকে এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে বেশ কিছু দাবি জানায় মন্দির কমিটি। পুলকবাবু বলেন, “আমরা দাবি রেখেছি দ্বারকা নদীর জল দূষিত হয়েছে। নদীর জল দূষণমুক্ত করতে হবে। নদীর জল ধরে রাখতে জলাধার নির্মাণ করতে হবে। নদীর দু’ধারে সৌন্দর্যায়ণ করতে হবে। তারাপীঠ মন্দিরের কাছাকাছি কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। দূরে থাকলেও সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিজেই অস্বাস্থ্যকর। ফলে বড় কিছু হলে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়।

মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী তারাপীঠের হোটেলে ৯ জনের মৃত্যু নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেন। এরপরেই বলেন, “সরকার সব কিছু দেখছে। যে লজে ঘটনা ঘটেছিল সেই লজ জতুগৃহ করে রেখেছিল। আমরা প্রশাসনকে বলেছি। সব যেন ঠিকথাক থাকে সেটা দেখতে হবে। কারণ তারাপীঠে শুধু পশ্চিমবঙ্গের লোকজন আসেন সেটা নয়, সারা ভারতবর্ষ থেকে তারাপীঠে মানুষ আসেন। তাদের নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের কর্তব্য।”

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল, চার বিধায়ক রামপুরহাটের ধ্রুব সাহা, সাঁইথিয়ার কৃষ্ণ কান্ত সাহা, দুবরাজপুরের অনুপ কুমার সাহা এবং লাভপুরের দেবাশিস ওঝা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *