স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ২৪ মার্চ: উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ সরকারি বিএড কলেজের চার ছাত্রীকে দ্বিতীয় সেমিস্টার পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃত ভাবে ফেল করানো হয়েছে, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার কলেজের অধ্যক্ষের ঘরের সামনে বিক্ষোভে শামিল হল ছাত্র-ছাত্রীরা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে কলেজে।
যদিও অধ্যক্ষ চৈতন্য মন্ডল বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে চার ছাত্রী ফেল করেছে দেখানো হলেও এখনো মার্কশিট দেওয়া হয়নি। মার্কশিটে যাতে এই সমস্যা না থাকে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, করোনা আবহে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মতো রায়গঞ্জ বিএড কলেজেও সেকেন্ড সেমিস্টার পরীক্ষা অন লাইনে দিয়েছিল পরীক্ষার্থীরা। রেজাল্ট বের হওয়ার পর দেখা যায় রায়গঞ্জ বিএড কলেজের চার ছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে পড়ুয়ারা। চার ছাত্রীকে পাস করানোর দাবিতে অধ্যক্ষ চৈতন্য মন্ডলের ঘরের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। অভিযোগ, ইংরাজী ও সংস্কৃত এই দুটি বিষয়ে ইন্টারনাল মার্কস না দেওয়াতেই এই চার ছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে। অধ্যক্ষ চৈতন্য মন্ডল ইচ্ছাকৃত ভাবেই এই কাজ করেছেন। যতক্ষন না পর্যন্ত এই চার ছাত্রীকে পাস করানো হচ্ছে ততক্ষন এই বিক্ষোভ কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীরা।
এবিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কলেজের অন্যান্য অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। অধ্যাপিকা সুস্মিতা মন্ডল বলেন, “পড়ুয়াদের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করা হয়েছে। সারা রাজ্যে অন্যান্য সমস্ত পরীক্ষার্থীরা পাস করলেও এই চার ছাত্রী ফেল করেছে। এতে করে তাদের ভবিষ্যত শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অন্যান্য সাবজেক্টে আমরা মাক্স দিয়েছি। প্রিন্সিপালের উচিত গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখা। পড়ুয়াদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা কাম্য নয়। আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে আছি।
অন্যদিকে অধ্যক্ষ চৈতন্য মন্ডল বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে চার ছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে দেখানো হয়েছে। মার্কশিট এখনো হাতে আসেনি। ছাত্র-ছাত্রীদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।

