আশিস মণ্ডল, আমাদের ভারত, বীরভূম, ২১ এপ্রিল: মোবাইল ছিনতাই করে চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হল এক কলেজ ছাত্রীকে। ট্রেনের যাত্রীরা হাতেনাতে ধরে ফেলে ছিনতাইকারীকে। ওই ছাত্রীকে গুরুতর জখম অবস্থায় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি থানার লোহাপুর স্টেশনে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রীর নাম নাইরিন সিদ্দিকি। বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘি থানার বাহালনগর গ্রামে। সে নলহাটির হীরালাল ভকত কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। বৃহস্পতিবার আজিমগঞ্জ-রামপুরহাট প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধরে কলেজে যাচ্ছিল। লোহাপুর স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়তেই ছাত্রীর হাতে থাকা মোবাইল নিয়ে পালাবার চেষ্টা করে এক দুষ্কৃতী। ওই ছাত্রী মোবাইলটা উদ্ধারের জন্য দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলে। সেই সময় দুষ্কৃতী ছাত্রীকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়। নিজেও পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেই সময় এলাকার লোকজন দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলে।
খবর পেয়ে রেল পুলিশ এলে দুষ্কৃতীকে রেল পুলিশের হাতে তুলে দেয়।আহত ছাত্রীকে প্রথমে লোহাপুর প্রাথমিক হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। আঘাত গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। ওই ছাত্রীর মাথায় আঘাত রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ছাত্রীর দাদু তোজাম্মেল হক বলেন, “নাতনি কলেজে যাওয়ার জন্য মোড়্গ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেন ধরেছিল। দুষ্কৃতী লোহাপুর স্টেশনে মোবাইল কেড়ে নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নাতনিকে ফেলে দেয়। দুষ্কৃতীও চলন্ত ট্রেন থেকে নেমে পালাবার চেষ্টা করে। এলাকার মানুষই তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। দুষ্কৃতীর বাড়ি বীরভূমের নলহাটি থানার বারা গ্রাম পঞ্চায়েতের টারাহাট পাড়ায়”।

