Cleanliness, Shalboni, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা নিয়ে শালবনি হাই স্কুল ও সরকারি আইটিআই কলেজে বিশেষ কর্মসূচি

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১ অক্টোবর: পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধি ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা সাধারণ মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিতে বৃহস্পতিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে বিশেষ স্বচ্ছতা কর্মসূচির আয়োজন করল সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (CRPF)- এর ২৩২ মহিলা ব্যাটালিয়ন। ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট শ্রীমতী শ্যালু এস. মহারানার তত্ত্বাবধানে শালবনি হাই স্কুল এবং সরকারি আইটিআই কলেজ প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

স্বচ্ছ ভারত অভিযানের অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ব্যাটালিয়ানের আধিকারিক ও সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়নের সেকেন্ড ইন কমান্ড শান্তারা দেবী, ডেপুটি কমান্ড্যান্ট রবিনা মালিক, ডঃ সিএমও রোহিনী চৌধুরী, সহকারী কমান্ড্যান্ট, এম শ্রী জয়বীর শর্মা- সহ অন্যান্য আধিকারিক ও ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

এদিনের কর্মসূচিতে শালবনি হাই স্কুলের অধ্যক্ষ সুধাংশু নাগ এবং সরকারি আইটিআই কলেজের অধ্যক্ষ স্বদেশ ভৌমিক- সহ দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- শিক্ষিকা ও ছাত্র- ছাত্রীরাও উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। আধিকারিক ও পড়ুয়াদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে স্কুল ও কলেজ চত্বরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

কর্মসূচির মাধ্যমে আধিকারিকরা পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা, আবর্জনা যথাস্থানে ফেলা, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং জনসাধারণের মধ্যে স্বচ্ছতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিশেষ করে ছাত্র- ছাত্রীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি তাঁদের মাধ্যমে সমাজের বৃহত্তর অংশে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।

সিআরপিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২৩২ মহিলা ব্যাটালিয়নের এই স্বচ্ছতা অভিযান স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।

শালবনি হাই স্কুল ও সরকারি আইটিআই কলেজের শিক্ষক- শিক্ষার্থী এবং সিআরপিএফ- এর আধিকারিক ও সদস্যদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এদিনের কর্মসূচি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। স্বচ্ছ, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর সমাজ গড়ে তুলতে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের তাৎপর্য আরও বৃদ্ধি পায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *