UPI, ইউপিআই লেনদেনে মাশুল বসছে, সমীক্ষা বলছে ৭৬ শতাংশ ক্রেতা নগদ লেনদেনে ফিরতে ইচ্ছুক

আমাদের দেশের, ১ অক্টোবর: ডিজিটাল ইন্ডিয়ার লক্ষ্যে ক্যাশলেস ইকোনমিতে জোর দিয়েছিল মোদী সরকার। কিন্তু এবার অনলাইন পেমেন্টে অতিরিক্ত ফি বসানোর নির্দেশিকা জারি হয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে বেশ বড় অংশের ক্রেতা ডিজিটাল লেনদেন থেকে মুখ ফেরাতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। যা নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয়। সমীক্ষার ফলাফলে বড় অংশের ক্রেতার মুখ ফেরানোর বিষয়টি একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ২০০০ টাকার বেশি মূল্যের ইউপিআই লেনদেনের ওপরে ০.৪ শতাংশ এম ডি আর দিতে হবে ব্যবসায়ীদের। ফলে বহু ক্রেতাই আশঙ্কা করছে এই অতিরিক্ত মাসুল আসলে তাদের কাছ থেকে আদায় করবেন ব্যবসায়ীরা। আর সেই কারণেই তারা চাইছেন এই ধরনের কোনো ঝুঁকির দিকে না যেতে।

দেশ জুড়ে ২০১টি জেলায় ৬৭ হাজার ইউজারের সঙ্গে কথা বলে এই সমীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭৬ শতাংশ জানিয়েছে নগদ কিম্বা ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড বা ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মত পদ্ধতিতেই এবার তারা ফিরবেন। মাত্র ১৪% ইউপিআই ইউজার জানাচ্ছে, তারা ইউপিআই- এর মাধ্যমে লেনদেন করবেন এবং এর অতিরিক্ত মাসুল তাদের থেকে চাইলেও তারা রাজি। বাকিরা অর্থাৎ ১০% ইউজারের দাবি, তারা অন্য কোনো ধরনের লেনদেনের পন্থা নিয়ে ভাবছেন।

যখন কোনো ব্যবসায়ী অনলাইনে অর্থ গ্রহণ করে তার জন্য ব্যাঙ্ককে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি প্রদান করেন। সেটি হলো এমডিআর অর্থাৎ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট। বিষয়টি ২০২০ সালের পর থেকে আর ভারতের বাজারে কার্যকর ছিল না। সেই সময় থেকে ভারতে অনলাইন লেনদেনের পরিমাণ বাড়তে থাকে। মোদী সরকার এবার এমডিআর ফেরানোর লক্ষ্যে আইন পাস করেছে।

যদিও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছে, ছোট মাপের ব্যবসায়ীদের এই অতিরিক্ত ফিয়ের আওতায় আনা হবে না, কিন্তু বিরোধী দল কংগ্রেসের আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের উপর কর বসানো সবে শুরু। পরবর্তীতে সমস্ত পেমেন্টের উপরে কর বসাতে পারে কেন্দ্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *