সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৭ এপ্রিল: পুরুলিয়ায় এসে পৌঁছলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য সহ রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। রবিবার বিকেল ৫ টা ৫ মিনিট নাগাদ পুরুলিয়া শহরের বেলগুমা পুলিশ লাইনে এসে পৌঁছান রাজ্য পুলিশের ডিজি। ইতিমধ্যেই জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতে মাওবাদী সন্ত্রাসের আশঙ্কায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে। জেলায় জেলায় চালানো হচ্ছে নাকা চেকিং। তৎপর হয়ে উঠেছে পুলিশ। আর তাই জেলায় জেলায় নিরাপত্তা বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ খোঁজখবর নিতে মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং আজ বাঁকুড়ায় বৈঠকের পর পুরুলিয়ায় পৌঁছলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। সঙ্গে রয়েছেন ওয়েস্টার্ন জোনের এডিজি সঞ্জয় সিং ও বাঁকুড়া রেঞ্জের আইজি সুনীল কুমার চৌধুরী। পুলিশ লাইনে ডিজিকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়।এদিন বিকেলে বেলগুমা পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক সহ বিভিন্ন থানার আইসি ও ওসিদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেন তিনি। আজ পুরুলিয়ায় রাত্রিবাস করেন ডিজি।

এই প্রসঙ্গে মাও সমস্যা নিয়ে শুভেন্দু বাবু একহাত নেন রাজ্যকে। ঝালদায় নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর শোকার্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করার আগে পুরুলিয়ায় সাংসদের কার্যালয়ে এই ইস্যুতে সংবাদ মাধ্যমের কাছে রাজ্যকে দুষলেন তিনি।
রাজ্যের জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতে মাও আতঙ্কের প্রসঙ্গে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কোভিডের মতো কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার সবাইকে মিলে এটার নিরসন করা উচিত। অথচ মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন রাজ্যে মাওবাদী নেই। কিন্তু বিগত দিনে মাওবাদীদের ডাকা বনধে জঙ্গলমহলে অভূতপূর্ব সাড়া তা দেখে সবার চোখ খুলে গেছে যে এখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি উপরে না থাকলেও তলে তলে জালটা বিছিয়েছে। আর এর ব্যর্থতা হচ্ছে রাজ্য পুলিশ, তাদের ইন্টেলিজেন্সি এবং সর্বোপরি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর।”

