আমাদের ভারত, আরামবাগ, ৪ সেপ্টেম্বর: বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে রূপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর ও দামোদর নদীর জল৷ জলের তলায় চলে গিয়েছে পুরশুড়ার বেশ কিছু বিস্তীর্ণ এলাকা। অন্যদিকে খানাকুলের ধান্যঘড়ি, পানশিউলি, বন্দর, ঠাকুরানিচক সহ একাধিক গ্রাম প্লাবিত৷ আরামবাগ ও খানাকুলে বন্যা দুর্গতেদের উদ্ধারের জন্য নামানো হয়েছে এনডিআরএফ- এর একটি দল।
টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রূপনারায়ণ ও দ্বারকেশ্বর নদীর বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় প্লাবিত হয় নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা৷ বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে থাকে নদীর জল৷ ইতিমধ্যেই পুড়শুড়া থানার পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে মানুষজনকে। পুড়শুড়া থানার ওসি শুভজিৎ দে’র নেতৃত্বে পুলিশ বেশ কিছু এলাকার
গৃহবন্দি মানুষজনদের উদ্ধার করে উঁচু জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যায়।

পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বেশ কিছু এলাকার বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে কথাও বলেন।
জানাগেছে, আরামবাগ, পুড়শুড়া, খানাকুলের প্রায় ৩০টি’র মত গ্রাম পঞ্চায়েত জলের তলায়। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ধান্যঘড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত, কিশোরপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত, সালেপুর এক নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায় বাঁধ ভেঙ্গে প্রচুর বাড়ি ও ফসলের জমি জলে তলিয়ে গেছে৷ শুক্রবার আরামবাগ মহকুমা শাসকের দপ্তরে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক হয়। এই বৈঠকে হাজির ছিলেন হুগলির জেলা জেলাশাসক খুরশিদ আলী কাদেরী। বৈঠকের পর তিনি খানাকুলের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।

