সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২৯ ডিসেম্বর: নতুন দায়িত্বভার গ্রহণ করে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কার্যালয়ে এলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রামপদ দাস। বুধবার দুপুরে কয়েকশো বিজেপি কর্মী সমর্থকরা তাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানায়। বুধবার দুপুরে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে নতুন সভাপতি সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বিজেপির জেলা নেতারা উপস্থিত থাকলেও দেখা মেলেনি বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন সভাপতি মনস্পতি দেবকে।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রামপদ বাবু বলেন, “মনস্পতি বাবু তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, কথা হয়েছে৷ বনগাঁয় মজবুত সংগঠন তৈরি করাই এখন আমার প্রধান কাজ। দিন কয়েক আগে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা হতেই এমএলএ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছিলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার চার বিধায়ক। তাদের মধ্যে এদিন সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায়। অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পত্রে নাম থাকলেও দেখা যায়নি গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া ও হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকারকে। বিধায়কদের বিষয়ে রামপদ বাবু বলেন, “বিধায়করা গ্রুপে কি করেছেন বলতে পারবো না। তবে আমাদের সংগঠনে কোনও সমস্যা নেই। আমরা এক জায়গায় আছি। হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার ও বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক কীর্তনীয়া তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা ব্যস্ত আছেন এই অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

নতুন সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে মতুয়াদের প্রাধান্য দেওয়া হয়নি এই নিয়ে ক্ষুব্ধ একাধিক মতুয়া। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কিছু মান অভিমান হয়েছে। সব মিটে যাবে। মতুয়ারা আমাদের সঙ্গেই রয়েছে। দিন কয়েক আগে বিধায়কের উপস্থিতিতে তার অনুগামীরা বিজেপি নেতা নেত্রীকে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। সে প্রসঙ্গে রামপদবাবু বলেন, আমরা খোঁজ নিয়েছি ওই দিনের ঘটনার সময় আমি বাইরে থাকার কারণে আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করতে পারিনি উনাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে।

