সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ২০ মে: উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ মহকুমা জুড়ে বিজেপির এক পরিচিত মুখ শোভন বৈদ্য। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন তিনি। রাজনৈতিক পদ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন এই বিজেপি নেতা। এদিন বাগদার বিধায়ক সোমা ঠাকুরকে সম্বর্ধনা দিতে গিয়ে তিনি একথা বলেন।
২০১১ সালে হিন্দু সংহতির তপন ঘোষের হাত ধরে রাজনৈতিক ময়দানে প্রবেশ। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কখনও হাবড়া, কখনও বনগাঁ, আবার কখনও বাগদা আবার কখনও কল্যাণী কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছে শোভন বৈদ্যকে। দিন-রাত মানুষের সমস্যার সমাধানে ছুটে গিয়েছেন তিনি। এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নয়, একজন সমাজ সেবক হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন শোভন।
বিজেপি সূত্রে দাবি, তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার হুমকি ও হামলার মুখেও পড়তে হয়েছে তাঁকে। এমনকি তৃণমূল পরিচালিত স্থানীয় কাউন্সিলরদের অত্যাচারে তার রুটি- রুজিও বন্ধ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। কিন্তু এত বাধা-বিপত্তির পরেও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও সরেননি শোভন বৈদ্য।
বনগাঁ ও উত্তর ২৪ পরগনার বহু মানুষের মতে, বনগাঁ অঞ্চলে বিজেপির সংগঠনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে প্রথম সারির নেতাদের মধ্যে অন্যতম নাম শোভন বৈদ্য। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে তিনি ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। শোভনবাবু বলেন, এই দলটি করে জীবনে শান্তি ফিরে পেয়েছি। মোদীর একটা বার্তা, “সবকা সাথ সবকা বিকাশ”। আমরা মানুষের সঙ্গে ছিলাম, আছি ও থাকবো, এমনই অঙ্গীকার নিয়ে জীবন বিলিয়েছি।
এক সময় বনগাঁ মহকুমায় দুই একজন বিজেপি নেতাদের দেখা গিয়েছে। ধীরে ধীরে আজ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। এই দল করতে গিয়ে আমার বাড়িতে একবার বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল। শোভন বৈদ্য ২০১৪ সালে ওয়ার্ড সভাপতি, ২০১৫ সালে বনগাঁ তপশিলি মোর্চার প্রেসিডেন্ট, ২০১৭ সালের বনগাঁ যুব মোর্চার প্রেসিডেন্ট, ২০২০ সালে মন্ডল প্রেসিডেন্ট, ২০২৩ সালে বাগদা বিধানসভার ইনচার্জ, ২০২৫ সালে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তপশিলি মোর্চার প্রেসিডেন্ট। শাসক দলের কারণে মোট বারোটা পুলিশ কেস। সবকটা কেস রাজনৈতিক কেস। শঙ্কর আঢ্য ও জ্যোৎনা আঢ্য’র সময় থেকে চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছেন। অতীতে হাজার লড়াই করার সময় ১৩ দিন ছিলেন বাড়ি ছাড়া।

