সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৩ জানুয়ারি: বনগাঁ লোকাল ট্রেন ও বাসে নামেই বিধিনিষেধ। মাস্ক ছাড়াই প্রচুর যাত্রী উঠে পড়ছে ট্রেন বা বাসে। এছাড়া গায়ের উপরে গা লাগিয়ে বসছে। সরকারি বিধিনিষেধ শিকেই তুলে যাতায়াত চলছে।
রাজ্যে করোনা সংক্রমনের গ্রাফ আবারও ঊর্ধ্বমুখী। ওমিক্রন ও করোনার দাপটে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় গোটা দেশ। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দপ্তরকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। করোনার সংক্রমণ রুখতে ৩ জানুয়ারি থেকে রাজ্যে জারি হচ্ছে বিধি নিষেধ। বুধবার থেকে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে লোকাল ট্রেন ঘোষণা করেছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ ত্রিবেদী। সন্ধ্যে সাতটার পর বন্ধ হবে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। লোকাল ট্রেন চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ হতেই। সোমবার সকালে শিয়ালদা- বনগাঁ লোকালের ভিড়ে ঠাসা চিত্র দেখা গেল। অনেকের মুখে নেই কোনও মাস্ক। বনগাঁ, গোবরডাঙ্গা, মছলন্দপুর, হাবড়া, অশোকনগর একধিক স্টেশনে ধরা পড়ল সেই চিত্র। আদৌও কি এই সব লোকাল ট্রেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চালানো সম্ভাব প্রশ্ন নিত্যযাত্রীদের।

দীর্ঘদিন পর লোকাল ট্রেন চালু হতেই কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলেন নিত্যযাত্রীরা। করোনা আবহে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি জীবনে থেকে অনেকেই কাজ হারিয়েছিলেন। লোকাল ট্রেন চালু হতেই ফের কাজে-কর্মে যেতে শুরু করেছিলেন আমজনতা। আবারও সংক্রমনের বাড়বাড়ন্তে লোকাল ট্রেনে বিধি-নিষেধ আরোপ হতেই সমস্যায় রেল যাত্রীরা। সন্ধ্যে সাতটার পর লোকাল ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘোষণা জানতে পারার পর থেকেই মাথায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নিত্যযাত্রীদের মধ্যে। নিত্যযাত্রী আশীষ দাস বলেন, বনগাঁ লোকালে কোনও দিন ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে ট্রেন চলাচল করা সম্ভাব নয়। এর থেকে লোকাল ট্রেন বন্ধ করে দিক। আমরা বেশির ভাগ যাত্রী দিন আনি দিন খায়, এই বিধিনিষেধের পর দুশ্চিন্তায় আছি। কি করে সংসার চালাবো, আমাদের পক্ষে কলকাতা থেকে তো ৭টার মধ্যে ফিরে আসা সম্ভব হবে না।

