Raksha Bandhan, Bankura, বাঁকুড়ার হাড়জোড় গ্ৰামে রাখি বন্ধন উৎসব পালন ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’- এর

আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ৩০ আগস্ট: বাঁকুড়ার হাড়জোড় গ্ৰামে স্থানীয় দরিদ্র গ্রামবাসী ও বাচ্চাদের সঙ্গে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করলো ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’। ২৮ আগস্ট ছিল পবিত্র রাখি বন্ধন উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে ২৯ আগস্ট বাঁকুড়ার ছাতনার হাড়জোড় গ্ৰামে স্থানীয় দরিদ্র গ্রামবাসী ও বাচ্চাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিল ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে ঐ দিন প্রায় ৬০ জন বাচ্চার হাতে একটি করে খাতা, কলম এবং বিস্কুটের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। প্রত্যেকের জন্য রাখিরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। একে অপরের হাতে রাখি বেঁধে দেয় বাচ্চারা। অনুষ্ঠানটি শুরু হয় ভারতমাতার চরণে পুস্প অর্পণ করে। এরপর সেখানে উপস্থিত স্থানীয় সমাজসেবীদের বরণ করে নেওয়া হয়। তারপর উপস্থিত বাচ্চাদের মধ্যে খাতা, কলম, বিস্কুট বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, এইদিন গ্ৰামের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা অনুষ্ঠানটিতে যোগ দিয়েছিলেন। ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’- এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির অন্যতম ট্রাস্টি সদস্য এবং ছাতনারই ছেলে অসীম লাল মুখার্জি, স্থানীয় যুবক সৈকত গাঙ্গুলি এবং দেব ঘোষাল। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সাথে আগামী দিনে ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’ কী বিষয়ে কাজ করবে এবং কিভাবে এগোনো যাবে এই নিয়ে বিস্তারিত চর্চা করেন অসীম লাল মুখার্জি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী এবং ছাতনা বিধানসভার ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম মন্ডল সভাপতি শ্রী অসীম হালদার এবং তাঁর সহযোগী সংঘের অন্যান্য সংগঠনের আরো কয়েকটি দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত আরো কয়েকজন সমাজসেবী। অনেকক্ষণ ধরে সমাজ কল্যাণের এই আলোচনা চলে। অবশেষে উপস্থিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের এবং অন্যান্য যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের হাতে টিফিনের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের শেষে সংস্থার ট্রাস্টি এবং ছাতনার ছেলে অসীম লাল মুখার্জি বলেন, “দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’ এধরণের গ্ৰাম উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক কাজ অনেকদিন ধরে করে আসছে। আমাদের অনুপ্রেরণা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী ড: কল্যাণ চক্রবর্তী। ভবিষ্যতে ছাতনা এলাকায় কী কী উন্নতি করা যায় তা ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’ অবশ্যই দেখবে এবং আমাদের এই সংস্থার মাধ্যমে জনকল্যাণের কাজ আমরা অব্যহত রাখবো।”

স্থানীয় সমাজসেবী অসীম হালদার বলেন, ‘দেশের মাটি কল্যাণ মন্দির’- এর এই ধরনের সেবামূলক কাজে আমরা আপ্লুত, ভবিষ্যতে এরকম কাজে সবসময় আমরা সাথে থাকবো।

সবশেষে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে একজন বলেন, “আমাদের এই এলাকায় খুবই গরিব মানুষের বসবাস। বাচ্চারা খাতা কলম পেয়ে খুব খুশি।এরকম আরো কাজ যদি ভবিষ্যতে হয় আমরা অন্তরের থেকে খুশি হবো।”
সবশেষে ‘ভারত মাতা কী জয়’ ধ্বনি দিয়ে অনুষ্ঠানটির পরিসমাপ্তি ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *