আমাদের ভারত, ১২ অক্টোবর: প্রবল জনস্রোতের ফলে সময়মতো সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছাতে পারেননি রাহুল গান্ধী, কিন্তু এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। যদিও এই পদক্ষেপের তুলোধোনা করেছেন বিজেপি সাংসদ অনুরাধা ঠাকুর।
বিজেপি সাংসদ বলেছেন, বিরোধীরা বিচার ব্যবস্থাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। যখন দ্রৌপদী মুর্মু ভোট চুরির প্রমাণ চেয়েছেন, তখন রাহুল গান্ধী পালিয়ে এসেছেন বলে দাবি করেছেন অনুরাগ ঠাকুর।
রবিবার সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী শিবির ইন্ডিয়া জোট। ঠিক হয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতে গিয়ে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেবেন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব সহ বিরোধী শীর্ষ নেতারা। যদিও গতকাল রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের সময় দিতে পারবেন না তিনি। পাশাপাশি জানান, তারা যে বিষয়ে উত্থাপন করার পরিকল্পনা করেছেন সেগুলি ইতিমধ্যে বিচারাধীন এবং সুপ্রিম কোর্টে সেগুলির শুনানি চলছে। তার বার্তা আদালত রাজনীতির করার জায়গা নয়।
প্রধান বিচারপতির দেখা না পেলেও ঐদিন পদযাত্রা শুরু করে ইন্ডিয়া জোট। বিরাট জন সমাগম হয় এদিনের মিছিলে। রাহুল গান্ধী মল্লিকার্জুন খান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক শীর্ষ নেতা আদালতের পথে যাত্রা করেছেন। ভিড়ে আটকে যায় ইন্ডি জোটের প্রতিনিধিদের বাস। ফলে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছাতে পারেননি রাহুলরা। পরে দেখা যায়, আইনজীবীরা রাহুলের হয়ে মামলা দায়ের করছেন। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে।
রাহুল গান্ধীদের এই পদক্ষেপে অনুরাগ ঠাকুর খোঁচা দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রপতি যখন প্রমাণ চাইলেন তখন তো রাহুলজি পালিয়ে গেলেন। নিজে ৯৯টা নির্বাচন হেরেছেন। কমিশনকে দোষ দেওয়ার অভ্যেস হয়ে গেছে ওর। এখন ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। জানাগেছে, রাহুল গান্ধী ছাড়াও ইন্ডিয়া জোটের দশজন প্রতিনিধি সই করেছেন জ্ঞানেশ বিরোধী পিটিশনে।

