আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ২৯ অক্টোবর:
আগামীকাল রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপ উপনির্বাচন। যার অন্যতম হল খড়দহ বিধানসভা কেন্দ্র। এই উপনির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও যথেষ্ট কড়া রয়েছে এই বিধানসভা কেন্দ্রটিতে।
আগামীকাল সকাল ৭টা থেকে শুরু হবে ভোট গ্রহণ
পর্ব। খড়দহ বিধানসভার অন্তর্গত এপিসি কলেজে ভোট কর্মীদের নির্বাচন কমিশনের থেকে ইভিএম সহ ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সরঞ্জাম দেওয়া শুরু হয়। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে চলে এই কর্মসূচি। রাত পোহালেই খড়দা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন আর তার আগে নির্বাচনী কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য ভোট কর্মীদের ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে। ভোট কর্মীরা তাদের নিজেদের ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে যাওয়ার আগে সমস্ত যন্ত্র খতিয়ে দেখে নেন।
ইতিমধ্যেই ২০ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হয়েছে। খড়দহ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ লক্ষ ৩২ হাজার ৩৪৮। এই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল প্রকাশিত হবে ২ নভেম্বর। খড়দহ বিধানসভায় ১১৬ পোলিং স্টেশন, রয়েছে। আর ২৩৫ টি বুথ রয়েছে এখানে। প্রতি বুথে একজন করে লাঠিধারী কনস্টেবল থাকবে। ১৬ টি কিউআরটি টিম। ২৮ টি বিশেষ কিউআরটি টিম থাকবে। ১০০০ রাজ্য পুলিশ থাকবে খড়দা উপনির্বাচনে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ এ যে বিধাসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাতে জয় লাভ করেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা। কিন্তু তিনি ভোটের পরই করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাই খড়দহ বিধানসভা কেন্দ্রটি অভিভাবকহীন হয়ে যায়। তাই এই কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে উপনির্বাচন। এই কেন্দ্রে লড়াই হবে মূলত ত্রিমুখী। কিন্তু তৃণমূল প্রার্থী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় ও বিজেপি প্রার্থীর জয় সাহার মধ্যে মূলত লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ভোট প্রচারের শুরু থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে তৃণমূল পুলিশ প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে তাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দেন তৃণমূল। তাই যাতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও ধরনের অসুবিধা না হয় তাই সেই বিষয়ে তৎপর ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ প্রশাসন।
এদিন বিলকান্দা এপিসি কলেজ ডিসিআরসিতে সমস্ত ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে হাজির হন ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারের নগরপাল মনোজ ভার্মা। এদিন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা বলেন, খড়দহ উপ নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রতিটি বুথই স্পর্শকাতর বুথ, তাই প্রতিটি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।”
এদিন করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভোট কর্মীদের আরও একবার নির্বাচন কমিশনের দেওয়া বিধি নিষেধ বলে দেওয়া হয়।

