আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৩১ মে: ‘তপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুর বোর্ডে রাখা হল না কেন পুর কর্তৃপক্ষ জবাব দাও। পুরবোর্ডে ক্ষমতালোভী, অর্থলোভী, ছাপ্পা ভোটের কান্ডারী পুর প্রশাসক দূর হাটো।” এরকম পোস্টার পড়ল জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন জায়গায় ও পুরসভার মূল গেটে। পোস্টারের নিচে লেখা জলপাইগুড়ি নাগরিক সমাজ।
গতকাল জলপাইগুড়ি পুরসভার পুর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন হয়েছে। এরপরেই প্রকাশ্যে এসেছে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। দলের একাংশের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তপনবাবু এই অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।
বুধবার সকালে শহরের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পুরসভার মূল গেটে পোস্টার পড়ল। ২৫ বছরের নির্বাচিত কাউন্সিলর, দুই বছরের ভাইস চেয়ারম্যান তথা টাউন ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় পুরভোটে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হয়েছিলেন। তিনি চেয়ারম্যানের দাবিদার ছিলেন। কিন্তু গতকাল পুরবোর্ডে স্থান পাননি তিনি। এরপরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। এদিন তপনবাবুর অনুগামীরা পোস্টার দিয়েছেন এমনটাই মনে করা হলেও চক্রান্ত হতে পারে বলে অভিযোগ করলেন তপনবাবু। তিনি বলেন, “এই ধরণের রাজনীতি আমি ব্যক্তিগত ভাবে পছন্দ করি না। কে করেছেন কেন করেছেন জানা নেই।”

কংগ্রেসের টাউন ব্লক সভাপতি তথা পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বলেন, “সংবিধানকে তোয়াক্কা না করে যেভাবে পুরসভার পূর্ণাঙ্গ বোর্ডের নাম একটি রাজনৈতিক দল ঘোষণা করল এটা সংবিধানকে মানা হয়নি। কেউ বা কারা তাদের অনুগামীদের দিয়ে এই ধরণের পোস্টার টাঙিয়েছে।”
বিজেপি টাউন ব্লক এক সভাপতি মনোজ কুমার শাহ বলেন, “তৃণমূলের লোকেরা লুটেপুটে খাচ্ছে। তারাই পুরসভায় পোস্টার দিয়েছে।” এই বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান পাপিয়া পাল বলেন, “বিরোধীদের চক্রান্ত আমাদের দলকে ভাঙার পরিকল্পনা।”

