সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২৪ মার্চ: নিহত কাউন্সিলর তপন কান্দুর খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে পোস্টার পড়ল ঝালদায়। পোস্টারে ছয়লাপ বিভিন্ন জায়গা। পুরসভা কার্যালয়ের প্রবেশ পথ সহ বিভিন্ন দেওয়ালেও তপন কান্দুর ছবি সম্বলিত পোস্টার দেখা গিয়েছে আজ। কে বা কারা এটা করেছে তা নিয়ে কৌতূহল নেই ঝালদাবাসীর, তাঁরা বিচার চান এবং এটাকে সমর্থনও জানিয়েছেন।
ঝালদা থানার আইসি-কে ‘অব্যাহতি’ দেওয়ার বিষয়ে নিহতের পরিবারের প্রতিক্রিয়া হিসেবে নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলরের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “১২ দিন পর আইসি-কে অব্যাহতি দেওয়া হল কেন? সাসপেন্ড করা হল না কেন? তা ছাড়া আজ ১২ দিন পরেও খুনের কিনারা করতে পারলো না ঝালদা থানার পুলিশ! তাই আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি করছি।”

অবশেষে ঝালদা থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হল অভিযুক্ত আইসি সঞ্জীব ঘোষকে। আইসি’র পদে থাকলেও ঝালদা থানার কাজ থেকে আপাতত ‘অব্যাহতি’ দেওয়া হল তাঁকে। এখন পুরুলিয়ার ঝালদা থানার নজরদারিতে এসডিপিও সুব্রত দেবকে দায়িত্ব দিয়েছে জেলা পুলিশ।
কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু খুনের ঘটনায় ঝালদা থানার আইসির বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ ওঠায় তাঁকে ঝালদা থানার দায়িত্ব থেকে আপাতত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি আইসির পদেই রয়েছেন বলে জানান পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস. সেলভামুরুগন।

প্রসঙ্গত, ওই আইসি’র ফোনে কথোপকথন ভাইরাল হয়। নিহত তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু তাঁর স্বামীকে দল ছাড়ানোর হুমকি, ভয় দেখানো এবং খুনের জন্য পরোক্ষ ভাবে মদত দেওয়ার অভিযোগ করেন জেলা পুলিশ সুপারের কাছে। কংগ্রেস, বিজেপি সহ বিভিন্ন মানুষ আইসি’র ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এছাড়াও অভিযুক্ত আইসি ওসি হিসেবে বহাল থেকে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েই জোর সওয়াল করেন তাঁরা। এতে বেকায়দায় পড়ে জেলা পুলিশ।

