আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ১১ জানুয়ারি: “নৈহাটিতে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হাতে চলে গেছে, তৃণমূল ভালো ছেলেদের জন্য নয়। তৃণমূল কংগ্রেস ক্রিমিনালদের নিয়ে চলছে। এই দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রবল। আর হয়তো তাই আত্মহত্যা করেছে সৌম্যকান্তি।” নৈহাটির ছাত্র নেতা সৌম্যকান্তি বিশ্বাসের আত্মহত্যার ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।
প্রসঙ্গত, নৈহাটির শ্যামা সুন্দরী তলার বাসিন্দা তৃণমূল ছাত্র নেতা সৌম্যকান্তি বিশ্বাস রবিবার রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। রবিবার বন্ধুদের সাথে পিকনিক করে। রাতে বাড়ি ফিরে নিজের ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয় সে। কি কারণে এই ঘটনা তা বুঝে উঠতে পারছেন না কেউ। তবে মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে একটি ফেসবুকে রাজনৈতিক পোস্ট করেন। আর তার থেকেই শুরু হয়েছে জল্পনা।

সোমবার সৌম্যকান্তির বন্ধুরা ফেস বুক পোস্ট দেখে তার বাড়ি যায় এবং সেখানে গিয়ে তার ঘরের দরজা ভেঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। তার করা রাজনৈতিক পোস্টে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন বলেই সকলের মত। সেই পোস্টে লেখা ছিল “নিজের বুথ এবং নিজের ওয়ার্ড বাদ দিয়ে অন্যান্য সকল জায়গার রাজনীতি থেকে অবসর নিলাম”। আর এই পোষ্টের কিছু পরে অপর পোস্ট করেন “বিদায়”।

আর এই পোস্ট দুটি নিয়েই শুরু সমস্ত রাজনৈতিক জল্পনার। আর তাই এই বিষয়টি আসলে কি বা কেন সৌম্যকান্তি আত্মহত্যা করলো তার উত্তর খুঁজতে চাইছেন তার পরিবারের সদস্যরা থেকে তার বন্ধুরা। এমন কি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সৌম্যকান্তির এহেন মৃত্যুতে হতবাক হয়ে গেছেন এবং তারাও চাইছেন রহস্য উন্মোচন হোক। তবে তারা অর্জুন সিংয়ের করা অভিযোগ মানতে নারাজ।
ভাটপাড়া পৌর সভার মুখ্য প্রশাসক গোপাল রাউত বলেন, সৌম্যকান্তি খুব ভালো ছেলে ছিল। তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী ছিল, কিন্তু এটা কেনো করল সেটা তদন্ত করছে পুলিশ। তবে অর্জুন সিংয়ের আর কোনো কাজ নেই, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কথা বলাই ওনার কাজ।”

