Victoria Amazonica, Vidyasagar University, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অ্যামাজনের পদ্ম’, ভিক্টোরিয়া অ্যামাজনিকার রোপণ

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর,
৬ মে: আজ বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ উদ্যোগে এক গৌরবময় সংযোজন ঘটল। ব্রাজিলের অ্যামাজন অঞ্চলের বিস্ময়কর জলজ উদ্ভিদ ভিক্টোরিয়া অ্যামাজনিকা (Giant Water Lily) বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিমভাবে নির্মিত জলাশয়ে সফলভাবে রোপণ করা হলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক দীপক কুমার করের উপস্থিতিতে, অধ্যাপক অমল কুমার মণ্ডল এবং উদ্ভিদ ও বনবিদ্যা বিভাগের অন্যান্য অধ্যাপকদের সঙ্গে নিয়ে জল সিঞ্চনের মধ্যে দিয়ে এই বিরল উদ্ভিদের কন্দ রোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ছাত্র- ছাত্রী, গবেষক, অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীদের উৎসাহ ও অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

ভিক্টোরিয়া অ্যামাজনিকা প্রকৃতির এক অনন্য বিস্ময়। এর পাতার ব্যাস ১০ ফুটেরও বেশি হতে পারে এবং এর উপর ৮–১০ বছরের শিশু সহজেই ভেসে থাকতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে শিবপুরে অবস্থিত বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সদর দপ্তর ছাড়া এই বিশেষ জলজ উদ্ভিদের উপস্থিতি অত্যন্ত বিরল। সেই প্রেক্ষিতে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এর সফল রোপণ নিঃসন্দেহে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

এই সংযোজন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের মুকুটে এক নতুন পালক যুক্ত করল। মাননীয় উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে জানান, ভবিষ্যতে এই উদ্ভিদ ও কৃত্রিম জলাশয়কে কেন্দ্র করে উদ্ভিদ গবেষণার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

জীববৈচিত্র্য ও সংরক্ষণ কেন্দ্রের অধিকর্তা এবং উদ্ভিদ ও বনবিদ্যা বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক অমল কুমার মণ্ডল জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁর উপর অর্পণ করা হয়েছিল এবং উপাচার্যের সক্রিয় সহযোগিতা, বিভাগীয় অধ্যাপক, ছাত্র- ছাত্রী ও গবেষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই উদ্যোগ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এই উদ্যোগ বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রতি অঙ্গীকারকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *