সাথী দাস, পুরুলিয়া, ২০ অক্টোবর: পুরুলিয়ার কোটশিলা বনাঞ্চল হয়ে উঠেছে চিতাবাঘের স্থায়ী ঠিকানা। ওই বনাঞ্চল এলাকায় চিতাবাঘের শাবকের ছবি ভাইরাল হতেই তৎপর হয়ে উঠেছে বন দফতর। চিতাবাঘের শাবকের ভাইরাল হওয়া সেই ছবি সংগ্রহ করে বিষয়টি খতিয়ে তদন্ত করছে বন দফতর। যদিও এর আগেও কোটশিলা বনাঞ্চলের সিমনি বিটের জাবর পাহাড় জঙ্গলে পুরুষ ও মাদি চিতাবাঘের ছবি ধরা পড়েছে বন দফতরের ট্র্যাপ ক্যামেরায়। ঘটনার পরই ওই এলাকায় লাগানো হয়েছে একাধিক ট্র্যাপ ক্যামেরা।

পুরুলিয়া বন বিভাগের বিভাগীয় আধিকারিক বনাধিকারিক জানান, গ্রামবাসীদের কাছ থেকে চিতাবাঘের উপস্থিতি খবর পেয়ে বন দফতর ওই এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছে। বিষয়টি জানানো হয়েছে অরণ্য ভবনেও। ওই শাবকের সত্যিকারের অস্তিত্ব রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুরুলিয়া বন বিভাগ। জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় সতর্ক বার্তা জারি করেছে বন দফতরের পক্ষ থেকে।
বিভাগীয় বনাধিকারিক দেবাশীষ শর্মার কথায়, “পুরুলিয়ার কোটশিলা বনাঞ্চল বন্য প্রাণের নিরাপদ স্থান হয়ে উঠেছে এটা খুবই ভালো খবর।”

উল্লেখ্য, এর আগেও চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ৯:৫১ মিনিটে কোটশিলা বনাঞ্চলের সিমনি বিটের জঙ্গলে পূর্ণবয়স্ক পুরুষ চিতাবাঘের ছবি ধরা পড়ে বন দপ্তরের ট্র্যাপ ক্যামেরায়। পরে গত ২০ এপ্রিল একই জঙ্গলে রাত ৭:২০ মিনিট নাগাদ পূর্ণবয়স্ক পুরুষ চিতাবাঘের ছবি ধরা পড়ে ট্র্যাপ ক্যামেরায়। এক মাস পর গত ২৭ জুন রাতে সেকেন্ডে ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়ে পুরুষ চিতাবাঘ এবং ২৯ জুন একই ক্যামেরায় ভোর বেলায় ধরা পড়ে মাদি চিতাবাঘের ছবি। ছবি মুঠো ফোনে সৌজন্যে ভাইরাল হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে পার্শ্ববর্তী গ্রাম গুলোতে।
পুরুলিয়া বিভাগের বনাধিকরিক বলেন, “ভাইরাল হওয়া ছবি বিশ্বাস যোগ্য না হলেও সত্যতা যাচাই করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরো ছটি ট্র্যাপ কামেরা বসানো হচ্ছে ওই জঙ্গলে।”

