শ্রীরূপা চক্রবর্তী
আমাদের ভারত, ১৮ আগস্ট: সব চোরের রাণী দিদিমণি। এবার খেলা শুরু করা উচিত পার্থবাবুর। উনি নাম বললে জেলে ঢোকানো ব্যবস্থা আমরা করে দেবো। বৃহস্পতিবার আদালতে ঢোকার আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের করা ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এই বার্তাই দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।
বৃহস্পতিবার একেবারে অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে গিয়ে পদযাত্রা, বাইক র্যালির মতো একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেন সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই তিনি বলেন, “আগেই বলেছিলাম অনুব্রত মণ্ডল জেলে যাবে। এতদিন কেন যাননি সেটাই আশ্চর্যের বিষয়।”
একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের করা ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে প্রেক্ষিতে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পার্থবাবুর খেলা শুরু করা উচিত। বলা উচিত, নো বডি বলতে কাকে কাকে বলছেন তিনি। সবার নাম প্রকাশ করা উচিত।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হয়। আদালতের ঢোকার সময় দাঁড়িয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, “কেউ ছাড়া পাবে না”। একটু থমকে দাঁড়ানোর পর তার আরও সংযোজন, “সময়ে সবকিছু প্রমাণ হবে।” যদিও কেউ বলতে কাদের ইঙ্গিত করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী? সময়ে কি প্রমাণ হবে, তা নিয়ে কোনো বাক্যব্যয় করেননি তিনি।
সেই প্রসঙ্গ টেনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দ্যেশ্যে সুকান্ত বলেন, “পার্থবাবু আপনি নাম বলুন, জেলে ঢোকানোর ব্যবস্থা আমরা করে দেবো।”
মন্ত্রিসভা রদবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী সব মন্ত্রীদের যেকোনো কাগজে সই করার আগে ভালো করে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “নতুন যারা মন্ত্রী হয়েছেন তারা তো ঠনঠন গোপাল। নামেই মন্ত্রী। দেড় কোটি টাকার বেশি কারোর খরচ করার এক্তিয়ার নেই। এর বেশি খরচ করতে গেলে মুখ্যমন্ত্রীর পারমিশন নিতে হবে।” সুকান্ত মজুমদারের দাবি এই সব করে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু যত চোর রয়েছে সব চোরেদের দিদিমণি হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাটের টালির চালা থেকে সবাই সার্টিফিকেট নিয়ে চুরি করতে নেমেছে।

