আমাদের ভারত, ৭ ফেব্রুয়ারি: ডানলপ থেকে সিআইডির জালে ধরা পড়ল বাংলাদেশের কুখ্যাত দুষ্কৃতী নুর নবি প্রকাশ ম্যাক্সন ওরফে তমাল চৌধুরী। এই দুষ্কৃতীর নামে বাংলাদেশের একাধিক থানায় ১৭ টি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে ১১টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পর্যন্ত জারি রয়েছে। ভারতে এসে তমাল চৌধুরী নামে পাসপোর্ট বানিয়ে সে বসবাস করছিল। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতির জঙ্গি যোগ রয়েছে বলেও অনুমান করা হচ্ছে।
তাকে জেরা করে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে সিআইডি। বাংলাদেশের একাধিক থানায় ১৭টি মামলা রয়েছে নুর নবীর বিরুদ্ধে। খুন, জখম, রাহাজানি, হুমকি চোরা কারবার, অস্ত্র পাচারের মতো একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে। সূত্রের খবর এই দুষ্কৃতী বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ওমানে চলে যায়, কারণ তাকে বাংলাদেশের পুলিশ মরিয়া হয়ে খুঁজছিল। ওমানে গিয়ে সে রং মিস্ত্রির কাজ করত। এরপর ওমানে তার শাগরেদ ধরা পড়লে প্রথম লক ডাউনের সময় সেখান থেকে পালিয়ে চলে আসে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায়। তখন তার নাম বদলে সে তমাল চৌধুরী হয়ে যায়। নিউমার্কেটে মাছ বিক্রি করত এই বাংলাদেশী দুষ্কৃতী। নুরের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের কোনো যোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তমাল চৌধুরী পরিচয় দিয়ে মধ্যমগ্রামে এক মহিলার সাথে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। এমনকি মহিলার সঙ্গে লিভিং সম্পর্কেও ছিল এই দুষ্কৃতী। বাংলাদেশের অস্ত্র কারবারি সঙ্গে যুক্ত ছিল এই দুষ্কৃতী। ডানলপে ৭ হাজার টাকার বিনিময়ে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সেখানে থাকতে শুরু করে।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ডানলপ থেকে সিআইডি তাকে গ্রেফতার করেছে। তার ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ টাকা, পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, আধার কার্ড সহ একাধিক নথি। বাংলাদেশের এই মোস্ট ওয়ান্টেড দুষ্কৃতীকে সিআইডির এস জি আধিকারিকরা গ্রেপ্তার করে।

