শ্রীরূপা চক্রবর্তী, আমাদের ভারত, ২৪ অক্টোবর: পুরোভোটকে ঘিরে চারিদিকে জোট জল্পনার গুঞ্জনের মধ্যেই একলা চলো বার্তা দিয়ে দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিলেন, কলকাতার
২০৯টি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দেবে বিজেপি। প্রতিটি ওয়ার্ডে পদ্মফুল চিহ্নে লড়াই করবে দলের প্রার্থীরা। একইসঙ্গে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কাদের কোন শর্তে গুরুত্ব দেওয়া হবে তাও স্পষ্ট করে দিলেন সুকান্তবাবু।
শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, দুর্দিনে যারা দলের সঙ্গে ছিল তাদের কথা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ভাববে দল। তার সঙ্গে তিনি বলেন, সমাজের বিশিষ্টরা কেউ আসতে চাইলে তাদের জন্য জায়গা খোলা রাখছে দল। একইসঙ্গে যে সব প্রার্থীর জেতার ক্ষমতা রয়েছে সেটিও দলের কাছে বিচার্য হবে। অন্যদিকে প্রার্থীদের ভাবমূর্তি এলাকায় কেমন তারও চুলচেরা বিশ্লেষণ হবে। ওয়ার্ড থেকে একেবারে রাজ্য স্তর অর্থাৎ তৃণমূল স্তর থেকে একেবারে উপর স্তরের দলের নেতৃত্বদের কাছে প্রার্থীদের সম্পর্কে মতামত নেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। এই মতামত গ্রহণের পরেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।তবে তিনি আরো একটি বিষয়ে স্পষ্ট করেছেন, তাঁর এই ইঙ্গিত পূর্ণ মন্তব্য ঘিরে জল্পনা দানা বেঁধেছে। তিনি বলেছেন, রাজনীতিতে অসম্ভব বলে কিছু হয় না।
তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরদের কি বিজেপি টিকিট দেবে? এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের তরফে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিজেপির যারা পুরনো কার্যকর্তা, যারা ভোটের আগে বিজেপির সঙ্গে ছিলেন তাদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তবে রাজনীতিতে অসম্ভব বলে কিছু হয় না। অর্থাৎ কানাঘুষোয় যে জল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে তা কিন্তু একেবারে ফুতকারে ওড়ালেন না সুকান্তবাবু, বরং ইঙ্গিত পূর্ণ মন্তব্য করে বুঝিয়ে দিলেন রাজনীতিতে অসম্ভব বলে কিছুই নেই। আর সুকান্ত মজুমদারের এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে জল্পনা তৈরি হলো রাজনৈতিক মহলে। মনে করা হচ্ছে তৃণমূল কাউন্সিলরদের জন্য বিজেপির দরজা পুরোপুরি বন্ধ নয়।
যদিও প্রার্থী বাছাই নিয়ে সার্বিকভাবে নজর রাখতে চাইছে বিজেপি। দলের সমস্ত সাংগঠনিক স্তরের মতামত নেওয়া এবং নানা পদ্ধতিতে তথ্য যাচাইয়ের পরেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে চাইছে বিজেপি।
আগামী ২৬ অক্টোবর অর্থাৎ লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত প্রার্থী নির্বাচনের জন্য যে আবেদন পত্র বা ড্রপবক্সের কথা দলের তরফে জানানো হয়েছিল তার সময়সীমা শেষ হচ্ছে বলে জানান তিনি। ২৬ তারিখ বিকেল ৫টার পর আর কোনো আবেদন গৃহীত হবে না বলে জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। তিনি আরো জানান, নির্বাচন ঘোষণার তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই তারা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দেবেন।
ভোটে জেতার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য বিধানসভা নির্বাচনে ওয়ার্ড ভিত্তিক ফলাফলের যে সংখ্যক ভোটে বিজেপি এগিয়েছিল তাকে ছাপিয়ে যাওয়া।

