সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৩ জানুয়ারি: করোনার প্রথম ঢেউ আছড়ে পড়তেই রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালের পাশাপাশি বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালেও র্যাপিড ও আরটি-পিসিআর টেস্ট শুরু করেছিল স্বাস্থ্য দপ্তর। ফের রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা এলাকায় নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে৷ স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে দ্রুত সংক্রমণ রুখতে করোনা পরীক্ষা চলছে বিভিন্ন হাসপাতালে। কিন্তু বর্তমানে বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে র্যাপিড টেস্ট হলেও হচ্ছে না আরটি-পিসিআর টেস্ট।

এবার হাসপাতালে আরটিপিসিআর টেস্টের দাবিতে সরব হলেন বাগদার বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, বহু মানুষ র্যাপিড টেস্ট নেগেটিভ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তাদের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে আরটিপিসিআর টেস্ট করে পজিটিভ ধরা পড়ছে। ফলে আতঙ্কে ভুগছেন প্রচুর গ্রামবাসী। বাগদায় কয়েক লক্ষ মানুষ বাস করে। বর্তমানে তাদের মধ্যে অনেকেই করোনায় আক্রান্ত। বাগদার মানুষকে আরটিপিসিআর টেস্ট করতে হলে বারাসত হাসপাতাল কিংবা কলকাতায় যেতে হয়। বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে গেলে প্রচুর টাকার বিনিময়ে এই টেস্ট করতে হচ্ছে। এমনিতেই করোনার কারণে কাজ বন্ধ হতে বসেছে। তার উপরে এতো টাকা দিয়ে আরটিপিসিআর টেস্ট করা সম্ভব হয়ে উঠছে না গ্রামবাসীদের। তাই তাঁদের দাবি আগের মতো র্যাপিড টেস্টের সঙ্গে সঙ্গে আরটিপিসিআর টেস্ট করাতে হবে।

