পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১১ আগস্ট: শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভূমি মোহবনি গ্রামে এসে তাঁর চরণে প্রণাম নিবেদন করে মাল্যদান করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি বলেন, এই প্রথম কোনো মুখ্যমন্ত্রী শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্ম ভূমিতে আসলেন। আমি ধন্য যে, আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানাতে পারলাম। এর আগেও অনেক বার ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে এসেছি। মোহবনি উন্নয়ন পর্ষদ তৈরি হলেও কোনো কাজ বা উন্নয়ন হয়নি। আমাদের সরকার ক্ষুদিরাম বসুর জন্মভূমিকে সাজিয়ে তুলবে এবং এলাকায় উন্নয়ন হবে। ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করেও আমি শহিদের জন্মভূমিতে উপস্থিত হয়েছি। আগামী দিনে যুব সমাজকে এগিয়ে এসে শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর চিন্তাধারা মানুষকে জানাতে হবে এবং তাঁর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে হবে।
তিনি বলেন, ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর পৈতৃক ভিটা নতুন করে সংরক্ষণ করে সাজিয়ে তোলার। বর্তমান সরকার মোহবনি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে ৫ কোটি টাকা খরচা করে তার পৈতৃক ভিটেকে সাজিয়ে তুলবে। আমরা এখানে শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর নামে মিউজিয়াম, ইনডোর, লেজার শো, পর্যটকদের থাকার জায়গা করবো। সেজে উঠবে শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর পৈতৃক ভিটে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা দপ্তরে শহিদ ক্ষুদিরাম বসু সম্বন্ধিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে বলবো। পাশাপাশি হেরিটেজ হিসেবে আগামী দিনে ঘোষণা হতে পারে শহিদের পিতৃভূমি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেশপুর মানে বোমা, গুলি, সন্ত্রাস, কাটমানি এই সব বন্ধ করতে হবে। কেশপুর মনে ক্ষুদিরাম বসু। প্রত্যেকটি বাড়িতে আবাস, আলো, ভালো বিদ্যালয়, ভালো হাসপাতাল হবে, রাস্তা চকচকে হবে, সবাই আনন্দে থাকবে। কেশপুরের সমস্ত মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালে শুভেন্দু অধিকারী যখন এসেছিলেন, সেই মিথ্যে মামলাটা জেলার পুলিশ সুপারকে পুনরায় চালু করতে বলেন তৎকালীন সরকার।

