রহস্যজনকভাবে ভাঙ্গল রামপুরহাট পুরসভার হেডক্লার্কের ঘরের কাঁচের দরজা

আশিস মণ্ডল, বীরভূম, ২০ মে: রহস্যজনক ভাবে ভাঙ্গল রামপুরহাট পুরসভার হেডক্লার্কের অফিসের কাঁচের দরজা। ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে সিসিটিভির তার। খবর পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে রামপুরহাট থানার পুলিশ। ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। লকডাউনের কারণে বন্ধ পুসরভা। দিন কয়েক আগেই রামপুরহাট পুরসভার প্রশাসক অশ্বিনী তেওয়ারিকে সরিয়ে করা হয়েছে মীনাক্ষী ভকতকে। প্রশাসক সদস্য হিসাবে নিয়ে আসা হয়েছে দুই বিদায়ী কাউন্সিলর আব্বাস হোসেন ও সুব্রত মাহারাকে। তৃণমূলের রামপুরহাট শহর সভাপতি পদে সুশান্ত মুখোপাধ্যায়ের জায়গায় বসানো হয়েছে পুর প্রশাসক মীনাক্ষী ভকতের স্বামী সৌমেন ভকতকে। এনিয়ে দলের অন্দরে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনা সেই কোন্দলের জের কিনা তা তদন্ত করছে পুলিশ।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে পুরসভা ঝাঁট দিতে যান সাফাই কর্মীরা। তারাই প্রথম দেখেন হেডক্লার্ক রামেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের অফিসের দরজার কাঁচ ভাঙ্গা। তারা প্রথমে বিষয়টি স্যানিটারি ইনেস্পেক্টর শুষেন মণ্ডলকে জানান। তিনি খবর দেন পুর প্রশাসক মীনাক্ষী ভকতকে। তারা এসে পুলিশকে খবর দেন। প্রশ্ন উঠছে গেটের তালা না ভেঙ্গে দোতলার ওই ঘরে দুষ্কৃতীরা পৌঁছাল কীভাবে? সেই রহস্যের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ লক্ষ্য করে। জিজ্ঞাসাবাদ করে নাইটগার্ড সাদ আলিকে। তিনি বলেন, “আমি সকালে তালা মেরে বাড়ি গিয়েছিলাম। দোতলায় ওঠার সমস্ত দরজা বন্ধ ছিল। তবে রাতে ভাঙ্গার কোনও শব্দ পায়নি”।

রামেশ্বরবাবু বলেন, “খবর পেয়ে আমি পুরসভায় গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি অফিসের দরজা ভাঙ্গা। তবে কোনও কাগজপত্রে হাত দেয়নি বলে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে। তাছাড়া আমার ঘরের দরজায় তালা দেওয়া থাকে না। তা সত্ত্বেও কাঁচ ভাঙ্গতে গেল কেন বুঝতে পারছি না”।

পুর প্রশাসক সদস্য আব্বাস হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “পুর প্রশাসকের কাজকর্ম কালিমালিপ্ত করতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এই ঘটনা লজ্জাজনক। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি করছি”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *