মাথাভাঙ্গার ঘটনার জন্য দিদির উস্কানি আর হিংসার রাজনীতি দায়ী: মোদী

আমাদের ভারত, ১০ এপ্রিল: চতুর্থ দফার ভোটের দিন
মাথাভাঙ্গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বাহিনী ও পুলিশ সুপার দাবি করেছে আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালানো হয়েছে। আজ রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে এই ঘটনার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘উস্কানি’কেই সরাসরি দায়ী করেছেন মোদী। তাঁর কথায়, মাথা ভাঙ্গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যুর পেছনে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিংসার রাজনীতি। আজ নদীয়ার কৃষ্ণনগরের সভা থেকে এই ঘটনার জন্য দায়ী করে তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করে অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি করেছেন। আগামীকাল মাথাভাঙ্গায় নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন মমতা।

এদিকে কৃষ্ণনগরের সভা থেকে মমতাকে পাল্টা বিঁধেছেন মোদী। তিনি বলেন, “এই কেন্দ্রীয় বাহিনী গোটা দেশে ভোট করায়। নিরপেক্ষভাবেই ভোট করায়। চার রাজ্যের ভোট শেষ হয়েছে।” মমতার উদ্দ্যেশ্যে তিনি বলেন, “দিদি, সমস্যা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে নয়। সমস্যা আপনার হিংসার রাজনীতিকে নিয়ে। সমস্যা হলো ছাপ্পা ভোট। সমস্যা আপনার উস্কানিমূলক বক্তব্য নিয়ে।”

মোদী হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, “মনে রাখবেন দিদি এটা ২০২১ এর বাংলা। এখন আর গণতন্ত্রের সঙ্গে খেলা করা যাবে না। মানুষ একজোট হচ্ছে। বাংলার গরিব মধ্যবিত্ত আপনাকে এবার হারিয়ে দেবে।”

মোদী আরও বলেন, “দেখুন এই ভোটে বিজেপি শুধু নয়, বাংলার মানুষ লড়াই করছে। মানুষ আপনাকে হারানোর জন্য মাঠে নেমে পড়েছে।”

আজ আবারও মোদী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, “আজকাল এখানে এক নতুন কথা শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। এবার আর নিজের জন্য নয়, ভাইপোর জন্য নতুন নতুন পরিকল্পনা করছেন দিদি। কিন্তু বাংলার মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই প্রথম দফা থেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছে। তাই পরাজয় বুঝতে পেরেই বাংলার বাইরে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন দিদি। তাই বাংলার মানুষ ঠিক করে ফেলেছে এবার খেলা শেষ হবে। হিংসার খেলা শেষ হবে। তোলাবাজির খেলা শেষ হবে। কাট মানির খেলা শেষ হবে।”

মোদী দাবি করেন, হারের ভয়ে দিদির মুখে যে রাগ দেখা যায় তার কারণ শুধু মোদী, বিজেপি নয়, এর কারণ সেইসব মানুষ যাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন দিদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *