আমাদের ভারত, ৩০ জুলাই: শুক্রবার সংসদেই এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্য। একটি ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী বৈঠকে ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশ মন্ত্রী এস জয় শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নড্ডা, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরি, বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।
এই বৈঠকে ঠিক কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অস্বস্তি বাড়ছে নয়া দিল্লির। মাঝে মাত্র দু’দিনের বিরতি ছিল, আবারও সংঘাতে জড়িয়েছে আমেরিকা ও ইরান। জর্ডনের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলার জবাব দিতে বৃহস্পতিবার ভোরে পাল্টা হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। পশ্চিম এশিয়ার এই যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব ভারতের অর্থনীতিতেও পড়েছে। হরমুজ প্রণালী ধরে জ্বালানি আসার পরিমাণ কমেছে। ফলে অবশ্যম্ভাবী ভাবেই এর প্রভাব দেশের অর্থনীতি তথা জনমানসে পড়বে। একই সঙ্গে দেশের বিদেশি নীতি এক্ষেত্রে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
অন্যদিকে নিট প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদে ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল দেশ। আন্দোলনের চাপে পড়ে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই পরিস্থিতিতে সরকারের উপর চাপ বজায় রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিরোধীরা। আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের ওপর পুলিশি দমন পীড়নের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিরোধীরা। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছেন তারা।
অর্থাৎ ঘরে ও বাইরে নানা সমস্যার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

