সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ৯ ফেব্রুয়ারি: বাগদা স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে হাসপাতালের রূপ দিলেন বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিত দাস। স্ত্রীরোগ বিভাগ চালু করলেন বিধায়ক বিশ্বজিত দাস। পাশাপাশি ৫০ বছর পর এই হাসপাতালে চালু হল স্ত্রী রোগ বিভাগ। আর আজই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন মহিলা। বুধবার আনুষ্ঠানিক ভাবে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা হাসপাতলে চালু হল স্ত্রীরোগ বিভাগ এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিক সহ পঞ্চায়েতের সদস্যরা।
হাসপাতাল সূত্রের খবর, এই বিভাগে দুইজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও দুইজন শিশু চিকিৎসক থাকছে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, ৫০ বছর আগে কংগ্রেসের আমলে একটি ছোট্ট স্বাস্থ্য কেন্দ্র তৈরি হয়েছিল। ৩৪ বছরে বাম সরকার কিছুই করেনি। এবারে বিশ্বজিত দাস বিধায়ক হওয়ার পর বাগদা স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে হাসপাতলের রূপ দিলেন। বাগদা থেকে বনগাঁ প্রায় ২৫ কিলোমিটার। আগে গর্ভবতী মায়েদের ছুটে যেতে হত বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে। বাগদার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ করলেন বিধায়ক বিশ্বজিত দাস। সম্প্রতি তিনি বাগদা-কলকাতা রুটে বাস চালু করে বাগদার মানুষের স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন। এবারে বাগদার স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে হাসপাতালের রূপ দিয়ে হাসপাতালে স্ত্রীরোগ বিভাগ ও শিশু চিকিৎসা চালু করলেন।
বিশ্বজিত বাবু বলেন, আমি বাগদার মানুষের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম যে, হাসপাতালের রূপ বদলে দেব। ৫০ বছর পর আজকেই প্রথম বাগদার বাসিন্দা সঙ্গীতা সর্দার নামে এক গর্ভবতী মহিলার অপারেশন হয়। তিনি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। কিছু দিনের মধ্যে এই হাসপাতালে ১০০ টি বেড চালু করা হবে। এছাড়া নিজের ফান্ড থেকে ১০ লক্ষ টাকা খরচ করে বৈদ্যুতিক জেনেরেটর দেন বিশ্বজিতবাবু। এই হাসপাতালে যাতে সমস্ত রকম অপারেশন করা যায় সেটা আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যের কাছে আবেদন জানিয়ে সেই ব্যবস্থা করব। যাতে বাগদার মানুষকে অন্য কোথাও চিকিৎসার জন্য যেতে না হয়।

